এইচ এম নাসির উদ্দিন আকাশ ঝালকাঠি : নির্বাচনি সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ঝালকাঠি ২ আসনের ১৪ দল ও ১৮ দলীয় প্রর্থীরা মাঠে ময়দানে তত বেশি ঘুরে বেড়াচ্ছে। ঝালকাঠির ২ আসন এ ১৯৭২ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ইতিহাস পর্যালচনা করে দেখা যায়, ৭২এর নির্বাচনে এখানে আওয়ামীলীগ প্রার্থী জয়ী হন। ৭৫ থেকে ২০০১সাল পর্যন্ত কখনো বিএনপি ও কখনো জাতীয় পার্টির মধ্যে ক্ষমতা হাত বদল হয়েছে। সর্বশেষ ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগের হেভীওয়েট প্রার্থী সাবেক খাদ্য মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা মন্ডলির অন্যতম সদস্য ও নির্বাচনকালীন সরকারের ভুমি মন্ত্রী আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু নির্বাচিত হন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি উভয় দলই এ আসনটি ধরে রাখার জন্য চেষ্ঠা করছেন। বর্তমান সাংসদ আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু ঝালকাঠি ও নলছিটিতে অনেক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড করেছেন। অপরদিকে বিএনপির মধ্যে মনোনয়ন প্রতাশী যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা কেউই আওয়ামীলীগ প্রার্থী আমির হোসেন আমুর মত রাজনৈতিক হেভিওয়েট প্রার্থী নন। তা ছাড়া এখানে রয়েছে বিএনপির মধ্যে অন্ত দ্ব›দ্ব। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশিরা হলেন,সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্্েরা,বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জেবা আহম্মেদ খান,বিএনপির চেয়ারপার্শন খালেদা জিয়ার আইনজীবি ব্যারিষ্টার ফকরুল ইসলাম ও এ্যাডভোকেট হোসেন আলি খান, বিএনপির জাতীয় নির্বার্হী কমিটির সদস্য ও বরিশাল বিএম বিশ্ব বিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি মাহবুবুল হক নান্নু,জেলা বিএনপির সহসভাপতি মোঃ মিঞা আহম্মেদ কিবরিয়া,জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের যুগ্ন মহাসচিব নুরুল ইসলাম খান বাবুল ও যুবদল কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সহ সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন। এদের মধ্যে কেন্দ্র ঘোষিত বিএনপির যে কোন কর্মসূচীতে সহসভাপতি মোঃ মিঞা আহম্মেদ কিবরিয়াকে বেশীর ভাগই মাঠে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া ও এখানে বিএনপি বিজয়ের পথে আর ও একটি বাধা রয়েছে। ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন এ আসনে প্রার্থী দেয়ার ঘোষনা দিয়েছেন। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মজলিশে খাসএর সদস্য ও জেলা কমিটির সভাপতি ডাঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজীকে ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের দলীয় প্রার্থী হিসেবে ইতি মধ্যেই মনোনয়ন দেয়ার ঘোষনা দিয়েছেন। ডাঃ সিরাজী প্রার্থী হলে বিএনপির ভোট ব্যাংক এ আঘাত হানতে পারে এবং সেই সুযোগে আওয়ামীলীগের প্রার্থী আমির হোসেন আমু বিজয়ী হতে পারে বলে সাধারন ভোটারদের ধারনা।




