শেরপুরের শ্রীবরদীতে সেলাইয়ের কাজ শেখানোর কথা বলে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগে মো. আবদুস সামাদ (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ১৯ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুরে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সামাদকে আটক করেন এলাকাবাসী। পরে রাতে তাকে শ্রীবরদী থানায় সোপর্দ করা হয়।

গ্রেফতার সামাদ শেরপুর সদর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন দর্জি। উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের ঝিনিয়া বাজারে তার টেইলার্সের দোকান রয়েছে। ওই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শ্রীবরদী উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সামাদ পোশাক তৈরির কাজ শেখানোর কথা বলে শনিবার দুপুরে ওই ছাত্রীকে তার দোকানে নিয়ে যান। এরপর বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মা ও স্বজনকে ধর্ষণের কথা জানায়। এরপর স্বজনেরা সামাদের দর্জির দোকানে গিয়ে তাকে আটক করেন। পরে তাকে শ্রীবরদী থানা পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। গ্রেফতার সামাদকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। একইদিন জেলা সদর হাসপাতালে ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য ও আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।




