ads

মঙ্গলবার , ২৫ জানুয়ারি ২০২২ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

জামালপুরে আশ্রয়ণের অধিকাংশ ঘরে ঝুলছে তালা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ২৫, ২০২২ ১:৫০ অপরাহ্ণ

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহারের বেশির ভাগ ঘরেই তালা ঝুলছে। থাকছেন না বরাদ্দপ্রাপ্তরা। তবে বরাদ্দ পাওয়ার পরও যারা এসব ঘরে থাকছেন না, তাদের বরাদ্দ বাতিল করে নতুনদের বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৪০টি ঘরের মধ্যে ১৬টি ঘরে বসবাস করে লোকজন। ফাঁকা ঘরে এখন খড়কুটো ও গরু-ছাগল রাখা হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের এক পাশে ১২টি, অন্য পাশে ২৮টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ১২টির মধ্যে ছয়টিতে পরিবার বসবাস শুরু করলেও এখনো ঘরে ওঠেনি ছয়টি পরিবার। বাকি ছয়টি ঘর তালাবন্ধ। অন্য পাশে ২৮টি ঘরের মধ্যে ১০টির মালিক পরিবার নিয়ে বসবাস করলেও ১৮টি ঘর তালাবন্ধ। নির্মাণ করা কয়েকটি ঘরের দেয়াল ও মেঝেতে ফাটল ধরেছে।

Shamol Bangla Ads

আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারীরা জানান, তালাবন্ধ করে বেশির ভাগ লোকজনই চলে গেছেন। তাঁদের কেউ থাকেন নিজ বাড়িতেই, কেউ থাকেন ঢাকায়। এমনও আছেন, শুধু ঘর তালাবন্ধ করে চলে গেছেন, আর কখনো আসেননি। এ জন্যই বেশির ভাগ ঘর ফাঁকা পড়ে আছে। জায়গা কম পড়লে কেউ ফাঁকা ঘরগুলোতে খড়কুটো ও গরু-ছাগল বেঁধে রাখছেন। প্রকল্পের এই ঘরের দেওয়ালে ফাটল ধরেছে এবং ঘরের মেঝেতে ইঁদুর গর্ত করেছে বলে অভিযোগ করেন আশ্রয়ণের বাসিন্দারা।

আশ্রয়ণকেন্দ্রে বসবাসকারী আল আমিন বলেন, যাতায়াতের রাস্তা নেই, মানুষের বাড়ির ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। বৃষ্টি হলে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। পানি জমে যাতায়াতসহ আরও অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক নারী বলেন, ‘যারা ঘর পেয়েও সেখানে থাকছেন না, তাদের আগে থেকেই বড় বড় ঘরবাড়ি রয়েছে। তাই তারা এসব ঘর নামের মুরগির খুপরিতে থাকছেন না, শুধু দখলে রেখেছেন। এই এলাকাতেই ভূমিহীন অনেকে রয়েছেন, যাঁরা ঘর পাননি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশেই বসবাসকারী এক নেতার দুই ছেলের নামে এখানে দুটি ঘর বরাদ্দ রয়েছে। কিন্তু তাঁরা কেউ সেখানে থাকেন না। কারণ তাঁদের আগে থেকেই বড় বড় ঘর আছে। ১০-১২টি গরু-মহিষ আছে। বিঘায় বিঘায় আবাদি জমি। সে কারণে তাঁরা ওই ছোট ঘরে থাকতে চান না।’

এ ব্যাপারে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পে বিদ্যুৎসহ সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া ঘরের উপকারভোগীদের বিষয়ে তথ্য নেওয়া হয়েছে। যারা ঘরগুলোতে থাকতে চান না, তাদের বরাদ্দ বাতিল করে নতুনদের বরাদ্দ দেওয়া হবে। আর যাতায়াতের সমস্যা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করা হবে।’

Need Ads
error: কপি হবে না!