ads

বৃহস্পতিবার , ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রিকশা গার্লের প্রশংসায় তৌকীর আহমেদ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৯ ১:৫০ অপরাহ্ণ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক : আয়নাবাজির পর দ্বিতীয় সিনেমা নিয়ে আসছেন অমিতাভ রেজা। এরই মধ্যে সিনেমা নিয়ে তৈরি হয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। গত রবিবার সিনেমাটির পোস্টার প্রকাশিত হওয়ার পর সিনেমাপ্রেমী এবং চলচ্চিত্র সংশ্নিষ্টদের উৎসাহ আরও বেড়ে গেছে। তবে চলচ্চিত্র বা এর গল্প নিয়ে কথা বলার সময় এখনও আসেনি বলেও মনে করছেন তৌকীর আহমেদের মতো চলচ্চিত্র নির্মাতা।

Shamol Bangla Ads

গত মঙ্গলবার তিনি ‘রিকশা গার্ল’ চলচ্চিত্র ও পোস্টারটি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, ‘সিনেমার পোস্টারটি ভালো লেগেছে।’ আয়নাবাজির সফলতার পর আবারও নতুন সিনেমা নিয়ে আসছেন অমিতাভ রেজা। দেশে চলচ্চিত্রে সৃষ্টিশীলতা আর নতুনত্বের এক বাতাস বারবারই বইয়ে দিয়েছেন অমিতাভ রেজা। আর তার হাত ধরেই এবার মিতালি পার্কিন্সের বেস্ট সেলার বইয়ের গল্প নিয়ে আসছে ‘রিকশা গার্ল’। রিকশাগার্লের প্রকাশিত পোস্টারটি যেন এক মায়াবী ক্যানভাসের গল্প। রঙিন ক্যানভাসে দুরন্ত এক কিশোরীর মুখ। শ্যামবর্ণের সেই মুখে আর চোখে যেন না বলা অনেক গল্প। মায়াবী মুখটায় ভেসে আছে এক রিকশাকন্যার উপাখ্যান। আর এমন একটি চরিত্র ও গল্প নিয়ে অমিতাভ রেজার চলচ্চিত্র রিকশাগার্লের রঙিন পোস্টার।

চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছেন এরিক জেমস এডামস। যৌথভাবে নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে রয়েছেন ফরিদুর রেজা সাগর ও জিয়াউদ্দিন আদিল। চিত্রনাট্য করেছেন নাসিফ ফারুক আমিন ও শর্বরী জোহরা আহমেদ।

Shamol Bangla Ads

গত ৪ মাস ধরে পাবনা, গাজীপুরসহ ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে ‘রিকশা গার্ল’ ছবির শুটিং অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটিতে দেশের প্রথম কোনো সিনেমায় শতাধিক বস্তিঘরের সেট তৈরি করা হয়, যা এরই মধ্যে আলোড়ন তুলেছে সিনেমাপাড়ায়। রিকশা গার্ল নির্মিত হচ্ছে মিতালি পার্কিন্সের বেস্টসেলার বই রিকশা গার্ল অবলম্বনে।

রিকশাকন্যা নাইমার চরিত্রে এখানে অভিনয় করছেন নভেরা রহমান। মফস্বলে বেড়ে ওঠা স্বাধীনচেতা নাইমার জীবন তার রঙতুলির মতোই বর্ণিল। নাইমা আলপনা এঁকে যা উপার্জন করেন, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। অভাবের ভেতর দিয়ে চলতে থাকা পরিবারটির দুর্দশা শেষ হয় না এই আয়ে। তবে জীবনের হরেক রকমের রঙ মিলেমিশে নাইমার তুলির আঁচড়ে আঁকা হয় সুন্দর সুন্দর সব আলপনা। একদিন চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়ে সে। নাইমার জীবনে আসে নতুন বাঁক। বাঁকে বাঁকে নতুন নতুন সব অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়ে সাহসী পথচলা শুরু হয় এক রিকশাকন্যার।

Need Ads
error: কপি হবে না!