পাবনা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের পাবনার ভাঙ্গুড়া দুগ্ধ কারখানার দুই সমিতি সংগঠকের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ ও শিগগির তাদের বদলির দাবিতে শনিবার থেকে শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য দুগ্ধ সরবরাহ বন্ধ অব্যহত রয়েছে। গত ৩ দিনেও এর কোন সুরহা না হওয়ায় কারখানায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে আন্দোলণকারী সমবায়ীরা জানিয়েছেন, ওই দুই সমিতি সংগঠক তারেকুজ্জামান ও গোলাম ছাকলাইনের বদলির নায্য দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত মিলে দুধ দেওয়া বন্ধ থাকবে ।
অপরদিকে ভাঙ্গুড়া দুগ্ধ কারখানায় যোগদানের পর ছুটিতে গিয়ে কারখানা ব্যবস্থাপক মো.হামিদুল ইসলাম এখন লাপাত্তা! তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও রয়েছে বন্ধ। সমবায়ীরা জানান, ২২ অক্টোবর ওই ব্যবস্থাপক খুলনা থেকে ভাঙ্গুড়া কারখানায় যোগদান করেন। এর পর দু’দিন অফিস করে ২৬ অক্টোবর ৩ দিনের ছুটিতে বাড়ি গিয়ে তিনি আর ফিরে আসেননি। এমনকি তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে, ভাঙ্গুড়া দুগ্ধ কারখানা এলাকার ৭৫টি দুগ্ধ সমবায় সমিতির প্রায় ৫ হাজার ছোট-বড় দুগ্ধ খামারী তাদের ৩০ লক্ষাধিক টাকার বকেয়া বিল উঠাতে না পেরে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। এ ব্যাপারে মিল্কভিটার ভাঙ্গুড়া কারখানার ডা.মোদাচ্ছির হোসেনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,স্যারের সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে বিষয়টি তিনি উধ্বর্তণ কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন। এ ব্যাপারে জানতে সদ্য যোগদানকৃত ওই কারখানা ব্যবস্থাপকের ০১৯২৬-১৮৫৭৬৯ মোবাইল নম্বরে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুল হক বলেন,সমবায়ীদের তিনি প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে অনুরোধ করেছেন তবে কারখানা ব্যবস্থাপক লাপাত্তার বিষয়ে কেউই তাকে অবহিত করেনি।




