ইয়ানুর রহমান : বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন অফিস (৮৯১) দখল নিয়ে দুগ্র“পের সংঘর্ষে নেতাসহ ১২ শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
এ সময় ইউনিয়নের অফিস ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আবারো সংঘর্ষের আশংকা করছে শ্রমিকরা।
বন্দর শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক ইউনিয়ন অফিস দখল নিয়ে বন্দরে উত্তেজনা চলছিল। রোববার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে (৮৯১) এর সাবেক কমিটির সভাপতি মোস্তফা (৪০) এবং সাধারণ সম্পাদক জিয়া (৩৫) ১০/১২ জনের একদল সন্ত্রাসী নিয়ে ইউনিয়ন অফিস দখল করতে আসে। এ সময় দুগ্রুপের সংঘর্ষে ১২ শ্রমিক নেতা গুরুতর আহত হয়।
আহতরা হলেন, মোস্তফা, জিয়াউর রহমান জিয়া, কলি মোলা, নকি মোলা, মিলন হোসেন, সোহারব, হাসান, জাহাঙ্গীর, খাইরুল, নুরআলী, জানে আলম ও সাদ্দাম। এদের মধ্যে মোস্তফা ও জিয়ার অবস্থা গুরুতর।
বন্দর থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। অন্যরা বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের ফেলে যাওয়া ৩টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দর থানা পুলিশের ওসি কায়ুম আলী সরদার জানান, শ্রমিকদের দুগ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। জিয়া ও মোস্তফাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন পুলিশ।
বন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের (৮৯১) সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জানে জানান, পূর্বের কমিটির সভাপতি মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়ার কাছে শ্রমিকরা ৩২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা পাবে। তাদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন কমিটি দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমান কমিটি শ্রম অধিদপ্তর খুলনা থেকে অনুমোদনকৃত।
রোববার জিয়া ও মোস্তফা সন্ত্রাসী নিয়ে শ্রমিক অফিসে হামলা ও ভাংচুর চালায়। এসময় ১২ জন শ্রমিক আহত হয়। সাধারণ শ্রমিকদের বাধার মুখে তারা পালিয়ে যায়।




