কদিন আগে বিসিবির সর্বশেষ পরিচালনা পর্ষদ সভায় একটি একক কাঠামোর অধীন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক প্রথম শ্রেণি, ৫০ ওভারের লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আজ সেটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সেখানে টুর্নামেন্টের রূপরেখা তুলে ধরেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। ওয়ালটন আইকন খেলোয়াড় হিসেবে বেছে নিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজকে।

বিসিবির এই নতুন ঘরোয়া ক্রিকেটের নাম ‘ডোমেস্টিক (ডি) থ্রি ট্রফি’। তিন বছরের মেয়াদে ডি থ্রি ট্রফিতে অংশ নেওয়া ছয় দলের স্বত্বাধিকারী হয়েছে একমি ল্যাবেরটরিজ, সিটিজেনস ব্যাংক, ফরচুন গ্রুপ, সেভেন রিংস সিমেন্ট, এইস ব্লু স্টার ও ওয়ালটন হাইস্টেক ইন্ডাস্ট্রিজ। স্বত্বাধিকারীদের অধিকাংশই বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে যুক্ত। দলগুলো একবারই প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যম থেকে ২৩ জনের স্কোয়াড গড়তে পারবে। আগামী ২৬ অক্টোবর হবে প্লেয়ার্স ড্রাফট।
ডিসেম্বরে হবে টি-টোয়েন্টি। জানুয়ারিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট, মে মাসে ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলবে দলগুলো। প্রতি ঘরোয়া মৌসুমে তিন সংস্করণে মোট ৪২ ম্যাচ খেলবে দলগুলো। টি-টোয়েন্টি শুরুর সম্ভাব্য সময় আগামী ১৫ ডিসেম্বর। খেলা হবে বরিশাল ও ঢাকায়। বরিশালেই বেশি ম্যাচ রাখার কথা জানিয়েছেন তামিম।

বিসিবি সভাপতি টুর্নামেন্টের কাঠামো নিয়ে বলেন, ‘বিসিবি সাধারণত বছরে চারটা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। চার দিনের এনসিএল, চার দিনের বিসিএল, বিসিএল ওয়ানডে এবং এবং এনসিএল টি-টোয়েন্টি। এ বছর থেকে আমরা নতুন এনসিএলের সঙ্গে এনসিএল সেকেন্ড ইলেভেন নিয়ে এসেছি। এনসিএল তাই এনসিএলের মতোই থাকছে। বাকি যে তিনটা টুর্নামেন্ট আছে, সেখানে পরিবর্তন আসছে। এখন (তিন প্রতিযোগিতা) একটা টুর্নামেন্টের অধীনে চলে আসবে।’
তামিম বলেছেন, ‘মৌসুমে একটাই নিলাম করব আমরা। প্রত্যেক দল ২৩ জন করে ক্রিকেটার নেবে। খুবই হিসেব করে নিতে হবে। কারণ, তারা তিন সংস্করণ টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে এবং চার দিনের ক্রিকেট খেলবে। এই খেলাটা প্রায় পাঁচ-ছয় মাস ধরে চলবে।’




