ads

মঙ্গলবার , ২৫ আগস্ট ২০২৬ | ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

জামালপুরে দেড় বছর পর রাসেল মিয়া হত্যা রহস্য উদঘাটন, আসামির স্বীকারোক্তি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ২৫, ২০২৬ ৩:৫১ অপরাহ্ণ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রায় দেড় বছর আগে সংঘটিত রাসেল মিয়া (৩৮) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় কালু মিয়া (২৮) নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

নিহত রাসেল মিয়া সরিষাবাড়ী পৌরসভার আরামনগর বাজারের একটি হোটেলে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। গত ১৯ মার্চ ২০২৫ সন্ধ্যার পর তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন ২০ মার্চ সকালে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, আরামনগর বাজারের দুধ হাটিতে হাফিজুর রহমানের চায়ের দোকানের ঘরের ভেতর বাঁশের ধন্নার সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রাসেলের মরদেহ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় নিহতের মা মেহেনারা খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ তদন্ত করে। পরবর্তীতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পিবিআই, জামালপুর জেলার ওপর ন্যস্ত করা হয়।

Shamol Bangla Ads

পিবিআই জানায়, মামলাটি তদন্তের একপর্যায়ে গত ১১ আগস্ট ২০২৬ সরিষাবাড়ীর আরামনগর এলাকা থেকে কালু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সোহেলসহ আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেন।

তদন্ত ও আদালতে দেওয়া আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে জানা যায়, নিহত রাসেল মিয়া ঘটনার কিছুদিন আগে সোহেলের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। ওই টাকা ফেরত চেয়ে সোহেল বিভিন্ন সময় রাসেলকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ মার্চ সন্ধ্যার পর সোহেল তার এক বন্ধুর মাধ্যমে রাসেলকে ডেকে নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে কালু মিয়াসহ কয়েকজন মিলে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে রাসেলকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে হত্যা করে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর উদ্দেশ্যে মরদেহ আরামনগর বাজারের একটি চায়ের দোকানের ঘরে নিয়ে গিয়ে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পিবিআই আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য রাসেলের হাত-পা বেঁধে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। আসামির জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। গ্রেফতার কালু মিয়াকে ২৩ আগস্ট ২০২৬ আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

পিবিআই, জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার বলেন, মামলাটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও মর্মান্তিক। পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাসেল মিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!