ads

রবিবার , ১৯ জুলাই ২০২৬ | ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রেকর্ড গোলের ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় ইংল্যান্ড

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ১৯, ২০২৬ ৪:১২ অপরাহ্ণ

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষদিকে ডিফেন্সিভ খেলার দরুন এখনও সমালোচনার পারদ থামাতে পারেনি ইংল্যান্ড। বিপরীতে, টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণাত্মক ফ্রান্স স্পেনের নিয়ন্ত্রিত ফুটবলে একেবারে বোতলবন্দি হয়ে যায়। ফলে উভয় দলই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটিতে নেমেছিল কিছুটা বিরক্তি ও আক্ষেপ নিয়ে। সেই ম্যাচটাই কি না হলো বিশ্বকাপ ইতিহাসের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী লড়াইয়ে সর্বোচ্চ ১০ গোলের রেকর্ড গড়ল। আর ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় হলো ইংলিশরা।

Shamol Bangla Ads

ম্যাচটি সাধারণত ম্যাড়ম্যাড়ে হবে মনে হলেও মায়ামি স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতি ছিল ৬৪,৪৭৮ জন এবং তাদের ১০ গোলের এক শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই উপহার দিলো ইংল্যান্ড-ফ্রান্স। বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এর মধ্য দিয়ে ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর ছেলেদের ফুটবলে নিজেদের সেরা সাফল্য পেল ইংলিশরা, যা বিদেশের মাটিতে তাদের ইতিহাসের সেরা অর্জন।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে ফরাসিদের কোণঠাসা করে ফেলে ইংল্যান্ড। ৩ মিনিটে ডেক্লান রাইসের গোলের পর ১৮ মিনিটে তার অ্যাসিস্ট থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজেরি কনসা। এরপর ৩৭ ও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+১ মিনিট) যথাক্রমে মার্কাস রাশফোর্ড ও এবেরেচি এজের অ্যাসিস্টে জোড়া গোল পূর্ণ করেন সাকা। ১৯৩০ সালের এপ্রিলের পর এই প্রথম কোনো ম্যাচে প্রথমার্ধেই ৪ গোলে পিছিয়ে পড়ার তিক্ত স্বাদ পেল ফ্রান্স।

Shamol Bangla Ads

দিদিয়ের দেশমের বিদায়ী ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় ফরাসিরা। ৪৮ ও ৬৬ মিনিটে মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে জোড়া গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। যার সুবাদে লিওনেল মেসিকে (২১ গোল) টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২২ গোলের মালিক এখন ফরাসি এই তারকা, যা তাকে ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়েও সবার ওপরে তুলে দিয়েছে। এর মাঝে ৫৪ মিনিটে এমবাপের অ্যাসিস্ট থেকে ব্র্যাডলি বারকোলাও ফ্রান্সের হয়ে একটি গোল করেন।

ম্যাচের ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন সাকা। ১৯৬৬ সালের ফাইনালে জিওফ হার্স্টের পর দ্বিতীয় ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউটে এবং ১৯৫৮ সালে পেলের পর ফ্রান্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের অনন্য কীর্তি গড়লেন তিনি। এরপর যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে দায়ত উপামেকানোর অ্যাসিস্টে উসমান দেম্বেলে গোল করে ব্যবধান কমালেও, ৯৮ মিনিটে জুড বেলিংহ্যাম গোল করে ইংল্যান্ডের ৬-৪ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন।

শেষ গোলের মধ্য দিয়ে বেলিংহ্যামও টুর্নামেন্টে নিজের সপ্তম গোল পূর্ণ করেন, যা এক বিশ্বকাপে যেকোনো ইংলিশ খেলোয়াড়ের জন্য সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল হওয়া তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ হয়ে ফ্রান্স-ইংল্যান্ডের এই লড়াই, যা ১৯৫৮ সালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে ফ্রান্সের ৬-৩ গোলের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

এদিকে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়লেন ওলিসে, সাতটি। ভেঙে দিলেন ১৯৭০ আসরে কিংবদন্তি পেলের গড়া ছয় অ্যাসিস্টের রেকর্ড। তবে ফরাসিদের জন্য দিনটি হতাশার, কারণ বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এর আগে কখনোই তারা ৬ গোল হজম করেনি এবং যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৬৬ বছর পর তারা প্রথম ৬ গোল খেলো।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!