ads

শনিবার , ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভাণ্ডারিয়ার পোনা নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় কৃষি ব্যবস্থা হুমকির মুখে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৪ ২:৫১ অপরাহ্ণ

Bhandaria  31-01-14(2)ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি : ঐতিহ্যবাহী ভাণ্ডারিয়ার এক সময়ের খরস্রোতা পোনা নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় সংলগ্ন শাখা খাল গুলো এখন মরা খালে পরিনত হয়েছে। নদীর অনেক যায়গায় চর, ডুবোচর পড়তে শুরু করেছে আর সে চর ক্রমশই নানা ভাবে দখল হয়ে যাচ্ছে। পোনা নদীর শাখা সিকদার হাট হয়ে বিনাপানি বাজার হয়ে বিষ খালী নদীতে গিয়ে পড়েছে।

Shamol Bangla Ads

এক সময়ে এই নৌপথে সংযোগ খালটি পিরোজপুর থেকে বরগুনা জেলার সাথে সম্পৃক্ত উপজেলা গুলোর হাট-বাজারে যোগাযোগের সহজ পথ ছিল। এক সময়ে এ খালে স্থানীয়রা সাইন জাল দিয়ে ছোট, বড় নৌকায় করে ইলিশ মাছ শিকার করত। ছোট খাট লঞ্চ,ট্রলার চলত অনায়াসে। মূল নদীর নাব্যতা কমার কারনে পলিপরে সে খাল গুলো আস্তে আস্তে এখন মরা খালে পরিনত হয়েছে। আর এর ফলে এসকল এলাকায় কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে চাষের মৌসুমে পানির সংকটের কারনে হুমকির মুখে পড়েছে কৃষি ব্যাবস্থা । নদীর শাখা ভূবনেশ্বর’র শুরু থেকে মজিদা বেগম মহিলা কলেজ পাস ঘেষে পৈকখালী বাজার হয়ে দোগোনার ভারানি হয়ে আবার বিষ খালী নদীতে পড়েছে। এক সময়ে ট্রলারে করে এই খাল দিয়ে দোগোনা, আওরাবুনিয়া, বেতাগীতে মানুষ প্রয়োজনীয় মালামাল ক্রয় করতে সহজে যেতে পারত। এখন সে সব শুধু ইতি কথার মত। স্থানীয় জামির তলা হয়ে রাজাপুরের ভারানি নামে পরিচিত খালটিতে ভাটির সময়ে পানি থাকেনা জোয়ারের সময়ে সংলগ্ন এলাকার মানুষ তাদের পানির প্রয়োজনিয়তা মেটায়। যদিও এসব এলাকার সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে যাতায়াত ব্যাবস্থা ভালো হলেও কৃষি প্রধান এ বাংলাদেশের সেই কৃষি ব্যাবস্থাই চরম হুমকির মুখে। এ সকল এলাকার প্রবীন কৃষক সহ বর্তমান একাধীক কৃষক জানান এ খাল গুলো দ্রুততম এ শীত মৌসুমে খনন বা সংস্কার যাই হোক করা না হলে কৃষি উন্নয়ন ব্যাহত হবে। যদিও বিকল্প হিসেবে পানির জন্য কৃষি অধিদপ্তর ছাড়াও নিজস্ব ব্যবস্থায় পাম্পমেশিন ব্যবহারেও ঝুঁকি রয়েছে। কারন জলবায়ুর পরিবর্তনের কারনে ক্রমশই পানির লেয়ার নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে । যার ফলে এসব এলাকার কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে কৃষিতে পূর্বের মত অবস্থা নেই বলেও জানান তারা। কৃষি ক্ষেতে জোয়ার ভাটায় পানি অতীতে যে ভাবে কৃষির সহায়ক ছিল এখন তার বিরুপ প্রভাব পড়ে। এখন যখন পানির প্রয়োজন তখন হয়ত পানি থাকেনা আবার যখন পানি প্রয়োজন না তখন পানি জমে আছে নামতে পারছেনা। যার ফলে কৃষির ওপর একটি বিরুপ প্রভাব থেকেই যায়। আর এতে করে কৃষি প্রধান দেশে কৃষির ঐতিহ্য হারাচ্ছে। এদিকে ভাণ্ডারিয়া লঞ্চঘাটে জোয়ারের পানি ছাড়া পল্টুন থেকে ঠিক মত লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হয়। সেটিও এখন ড্রেজিং প্রয়োজন বলে ভূক্তভোগীরা জানান। তাই বিশিষ্টজনেরা পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কতৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!