ads

মঙ্গলবার , ৩০ জুন ২০২৬ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ড্রেসিংরুমে ‘হাল না ছাড়ার’ এক বার্তায় বদলে যায় ব্রাজিল

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ৩০, ২০২৬ ৪:২৯ অপরাহ্ণ

‘ব্রাজিল আর আগের মতো নেই’—পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে নামার আগে এমন মন্তব্য করেছিলেন জাপানের এক ফুটবলার। এমনিতেই তেঁতে ছিলেন ব্রাজিলের ভক্তরা। এরওপর দুই দলের নকআউটের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে সেলেসাওদের শুরুটাও ছিল হতাশার।

Shamol Bangla Ads

এক গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছিল ক্যাসেমিরো-ভিনিসিয়ুসরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ক্যাসেমিরোর গোলে ব্রাজিল সমতায় ফেরার পর বদলি হিসেবে নামা মার্তিনেল্লির শেষ মুহূর্তের গোলে টুর্নামেন্টে টিকে থাকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

শেষ বত্রিশে দলের ম্যাচে জাপান ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার পর বেশ স্বাচ্ছন্দেই ছিল। তাছাড়া ২০০২ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে জেতার রেকর্ড নেই ব্রাজিলের, যে কারণে ওই মুহূর্তটা তাদের জন্য মোটেও স্বস্তিদায়ক কিছু ছিল না। একটি বড় ধরনের অঘটন ঘটার সম্ভাবনা বেশ বাস্তবসম্মত বলেই মনে হচ্ছিল।

Shamol Bangla Ads

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচটি যেন ব্রাজিলের জন্য অগ্নিপরীক্ষা হয়ে উঠেছিল। পরিস্থিতি ভালোভাবেই বুঝতে পারছিলেন অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তি। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার আগে ড্রেসিংরুমে শিষ্যদের প্রতি শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। ম্যাচ শেষে ব্রাজিল অধিনায়ক মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো কোচের বিষয়ে বললেন, যে কোনো পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছিলেন কোচ।

ক্যাসেমিরো বলেন, ‘প্রথমার্ধের বিরতিতে কোচ আমাদের অনেক কিছু বলেছিলেন। তবে সবচেয়ে বড় বার্তাটি ছিল—শান্ত থাকতে হবে। আমরা মাথা ঠান্ডা রেখেছিলাম বলেই ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি। দলের প্রত্যেকে এই প্রশংসার দাবিদার।’

দলের তরুণ ও বদলি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের আলাদা প্রশংসা করেন ক্যাসেমিরো। তিনি বলেন,‘বেঞ্চ থেকে এসে মার্তিনেল্লি গোল করল, এন্ড্রিক ভালো খেলেছে, রাফিনহার জায়গায় রায়ান নিজেকে প্রমাণ করেছে। বিশ্বকাপ জিততে হলে এমন দলগত স্পিরিটই দরকার।’

গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারও কোচের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন,‘বিরতির সময় কোচ যেভাবে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিলেন, তা অসাধারণ ছিল। আমরাও একে অপরকে বলছিলাম যেন কেউ মাথা গরম না করি। কারণ এই ধরনের মুহূর্তে এক ধরনের মানসিক অস্থিরতা গ্রাস করে।’

দলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস বলেন, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েছি। আমরা কখনোই হাল ছাড়ি না।’ একই সুর শোনা গেল ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির কণ্ঠেও,‘এটাই ব্রাজিল, কখনোই হাল না ছাড়া আমাদের সংস্কৃতি। দলের জয়ে আমি ভীষণ খুশি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে এই জয় আমরা ছিনিয়ে এনেছি।’

সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিলের হেড কোচ কার্লো আনচেলত্তিও যে কোনো পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দিলেন, ‘অবশ্যই মানসিক দিকটি এখানে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ফুটবলে একটু-আধটু ভুগতে হবেই, এতে নতুনত্বের কিছু নেই। বিশেষ করে আধুনিক ফুটবলে এটা এখন স্বাভাবিক।’

প্রসঙ্গত, শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের মুখোমুখি হতে অপেক্ষা করছে আইভরি কোস্ট অথবা নরওয়ে। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় নরওয়ে ও আইভরি কোস্ট ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে। আগামী ‍৬ জুলাই রাত ২টায় নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াই করবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!