আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় শেরপুরের পশুর হাটগুলোতে অতিরিক্ত গরম বা বৃষ্টিতে পশু যাতে অসুস্থ হয়ে না পড়ে সেজন্য জন্য সতর্ক রয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। ছোট বড় সব ধরনের খামারিদের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার্থে প্রতিটি হাটে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে।

শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এ বছর জেলায় প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ৯২ হাজার কোরবানিযোগ্য পশু। খামারিরা এখন প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। পশুর খাদ্য হিসেবে রয়েছে কাঁচা ঘাস, ভুট্টা, খৈল, গমের ভুসি, ধানের কুঁড়া ও খড়। খামারে পশুর জন্য নিয়মিত গোসল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ বছর খামারগুলোতে দেশীয় গরুর পাশাপাশি শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান প্রজাতির গরুকে প্রাকৃতিক খাবার দিয়ে মোটাতাজা করা হয়েছে। খামারে গরুকে যেন ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে মোটাতাজা না করা হয়, সে বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়েছে। পাশাপাশি জেলার ৫টি উপজেলার পশুর হাটগুলোতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ১৮ টি টিম কাজ করছে।
সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ কান্তি দত্ত বলেন, খামারিদের নিয়মিত পরামর্শের পাশাপাশি কোরবানির হাটে সুস্থ ও নিরাপদ পশু নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাটে মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। এছাড়া খামারের পশুকে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার না করতেও সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি গবাদি পশুর যে কোন রোগ বালাইয়ে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।




