ads

বৃহস্পতিবার , ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৭ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নাইকো মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায়, ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জানুয়ারি ২৯, ২০২৬ ১০:৫১ অপরাহ্ণ

দুই দশক আগে সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে করা মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় এসেছে। ২০০৫ সালে সংঘটিত ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছেন আদালত। ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Shamol Bangla Ads

রেজানুর রহমান জানান, রায়ে বাংলাদেশকে ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিএসআইডি) ট্রাইব্যুনাল।

পেট্রোবাংলার একজন কর্মকর্তা জানান, ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস নষ্টের দায় বাবদ ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং পরিবেশসহ অন্যান্য ক্ষতিসাধনের জন্য ২ মিলিয়ন ডলার মিলে প্রায় ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে গ্যাসের ক্ষতি বাবদ ১১৮ মিলিয়ন এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি বাবদ ৮৯৬ মিলিয়ন ডলারের একটি হিসাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। এর সঙ্গে এখন পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতির হিসাব যোগের আবেদন ছিল।

Shamol Bangla Ads

টেংরাটিলায় অনুসন্ধান কূপ খননকালে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন দুই দফা বিস্ফোরণ ঘটে। বিষয়টি বাংলাদেশের আদালত ধরে আইসিএসআইডিতে গড়ালে ২০২০ সালে নাইকোকে দায়ী করা হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গত মাসে ওই আদেশ দিয়েছেন আইসিএসআইডি।

ওই গ্যাস ফিল্ডে বিস্ফোরণের কারণে মজুত গ্যাস পুড়ে যায়। আশপাশের সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ জন্য নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলে অস্বীকৃতি জানায় তারা। এ কারণে ২০০৭ সালে স্থানীয় নিম্ন আদালতে মামলা দায়ের এবং নাইকোর ফেনী ফিল্ডের গ্যাসের বিল প্রদান বন্ধ করে দেয় পেট্রোবাংলা। হাইকোর্ট বাংলাদেশে থাকা নাইকোর সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও সম্পাদিত চুক্তি বাতিলের আদেশ দেন। এরপর সুপ্রিম কোর্টে যায় নাইকো, সেখানেও বাংলাদেশের পক্ষে রায় হয়।

আটকে রাখা গ্যাস বিল ও ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার জন্য ২০১০ সালে আইসিএসআইডিতে দুটি মামলা করে নাইকো। ২০১৪ সালে এক রায়ে আইসিএসআইডি পেট্রোবাংলাকে ফেনী গ্যাসক্ষেত্রের পাওনা পরিশোধ করতে বলে।

Need Ads
error: কপি হবে না!