সারাদেশের মতো শেরপুরেও নানা আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২৫ পালিত হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ভোর ৬টা ৩৮ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

পরে শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান ও পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম। এরপর একে একে শেরপুর পৌরসভার প্রশাসক (উপসচিব) আরিফা সিদ্দিকা, সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন, জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, সাবেক আহবায়ক আলহাজ্ব মো. হযরত আলী, সদস্য সচিব এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও শেরপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের পক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা জিন্নত আলী, জেলা এনসিপির আহবায়ক ও শেরপুর-১ আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া , জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক মামুনুর রহমান মামুনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে সকাল ৯টায় শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর সেখানে শিক্ষার্থী সমাবেশ, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় জেলা ডিসি উদ্যান চত্বরে ৩ দিনব্যাপী বিজয় মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান। সকাল ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভাসহ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়। এছাড়া বিকেল সাড়ে ৩টায় গজনী অবকাশ কেন্দ্রে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এদিকে বিজয় দিবস উপলক্ষে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে শহরের খোয়ারপাড় মোড় থেকে থানামোড় পর্যন্ত ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, শেরপুর-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলামসহ অন্যান্যরা অংশ নেন।




