অবশেষে অহনারও একদিন ইচ্ছে হলো মেঘ দেখার-

জানালা খুলে দুহাত বাড়িয়ে দিতে আকাশের দিকে।
চিরকালের খেয়ালী অহনা জানি না কি খেয়ালে আবার

ফিরে তাকালো পেঁজা মেঘরাশির দিকে
কেনই বা স্বাদ জাগলো ছুঁয়ে দেখার!
সে দিনের সেই চপলা দুষ্টুু মিষ্টি কিশোরী মেয়েটি আজ
ব্যক্তিত্বের আচ্ছাদনে মোড়ানো যেন ভিন্ন এক মানুষ!
চালচলন কথাবার্তা ভাবনাতেও তাঁর বিচক্ষণতার ছায়া দৃশ্যমান।
বদলে গেছে রুচিবোধ বিচরণের ক্ষেত্র ব্যস্ততার ধরনটাও
অহনা এখন পরিণত এবং পরিপূর্ণ একজন মানুষ!
কিন্তু হঠাৎ কেন আবার খুলে দিলো সুদীর্ঘকালের রুদ্ধ জানালাটা!
ফিরে তাকালো অসীম আকাশের দিকে-
কেনই বা দেখার ইচ্ছে হলো মেঘরাশি!
আবারো কেন অনেক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো অহনা!




