ads

সোমবার , ৮ জুলাই ২০২৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে আ’লীগ নেতার দখলে থাকা খাল ও জমি উদ্ধার করলো প্রশাসন

অভিজিৎ সাহা, নালিতাবাড়ী
জুলাই ৮, ২০২৪ ৯:১২ অপরাহ্ণ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক তাকিজুল ইসলাম তাঁরা’র দখলে থাকা খাল ও স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন। ৮ জুন সোমবার দুপুরে শহরের নয়আনীকান্দা এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ওই উচ্ছেদ অভিযান করা হয়।

Shamol Bangla Ads

উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নালিতাবাড়ী পৌরশহরের গরুহাটি সংলগ্ন নয়আনীকান্দা ব্রীজের নিচ দিয়ে একটি খাল বয়ে গেছে। যা দিয়ে ব্রীজের উভয় পাশের প্রায় প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমির পানি নিষ্কাশিত হয়। তবে সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক তাকিজুল ইসলাম তাঁরা ব্রীজ সংলগ্ন জমি দখল করে স্থাপনা ও পুকুর খনন করে খালের পানি চলাচলের রাস্তা ভরাট করেন। এতে গত সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে যায়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পানিবন্দী হয়ে পড়ে প্রায় শতাধিক পরিবার।

পরে এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ যাচাই বাছাই করে অভিযোগের সত্যতা পান। পরে সোমবার দুপুরে সেখানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ রানা। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, পৌরসভার মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমুখ।

Shamol Bangla Ads

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক কৃষক বলেন, ব্রীজের পাশেই ঘর ও পুকুর খনন করে খাল বন্ধ করে দেওয়ায় আমাদের খেতের পানি আটকা পড়ে আছে। টানা বৃষ্টিতে আমাদের বাসার পানিও জমে আছে। এখন আবার খাল খনন করে দিলে আমাদের আবাদ বাঁচবে।
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা তাকিজুল ইসলাম তাঁরা বলেন, এবিষয়ে আমার কোন অভিযোগ বা আপত্তি নেই। এখানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা রয়েছে। সরকার তাঁর জায়গা যেকোন কাজে ব্যবহার করতে পারে।

পৌরমেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, খাল ভরাট করা ও স্থাপনা নির্মাণ করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিলো। এতে প্রায় ৩০০ একর আবাদি জমি ও শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে। প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানের পর পৌরসভা থেকে খাল খনন করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, খাল বন্ধ করে দেওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছিলো। অভিযোগ পেয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছি।

Need Ads
error: কপি হবে না!