ads

সোমবার , ৯ মে ২০২২ | ৩ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আকাশে মেঘ দেখলেই বাড়ছে শ্রমিকের মূল্য

রেজাউল করিম বকুল - ফটো কার্ড
মে ৯, ২০২২ ২:৩৪ অপরাহ্ণ

শেরপুরের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীতে কালবৈশাখী ঝড় আর শিলাবৃষ্টির আশংকায় এখন আকাশে মেঘ দেখলেই বাড়ছে শ্রমিকের মূল্য। মাত্র দুই সপ্তাহে ব্যবধানে শ্রমিকের মূল্য বেড়েছে প্রায় ৮শ হতে ৯শ টাকা। প্রতিদিন সন্ধ্যা হলে কৃষকরা স্থানীয় বাজার গুলোতে ছুটছেন মৌসুমী শ্রমিক নিতে। কিন্তু শ্রমিকের চড়া মূল্যে অনেকটাই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, দ্রুত ধান কাটার জন্য কয়েকটি হার্ভেস্টার মেশিন রয়েছে। এতে অনেকটাই সাশ্রয় মূল্যে ধান কাটতে পারছেন কৃষকরা। রোববার সরেজমিন গেলে স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে ওঠে আসে এমন তথ্য।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, এবার শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রায় ৩২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। সম্প্রতি ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদীর ওপর দিয়ে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে শিলা বৃষ্টি। এতে বোরো আবাদ ও শাকসবজিসহ কয়েকটি গ্রামের ঘরের চালার ব্যাপক ক্ষতি হয়। আবারো কাল বৈশাখি ঝড় আর শিলাবৃষ্টিার আশংকায় বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা মাঠের পাকা ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এতে দেখা দেয় শ্রমিক সংকট। এ সুযোগে স্থানীয় শ্রমিকরা বাড়াতে থাকেন শ্রমিকের মূল্য। মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও প্রতিদিন একজন শ্রমিকের মূল্য ছিল ৪শ হতে ৫শ টাকা। প্রতিদিন এটি বাড়তে বাড়তে দাঁড়িয়েছে হাজারের উপরে। আকাশে মেঘ দেখলেই বাড়ছে শ্রমিকের মূল্য।

শ্রীবরদীর তাতিহাটি ইউনিয়নের বড় গারামারা গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, দুই সপ্তাহ আগে তিনি ধান কাটা শ্রমিক নিয়েছেন মাত্র ৪শ টাকা। কিন্তু তাকে এখন প্রতিটি শ্রমিক নিতে হচ্ছে ১২শ হতে ১৩ টাকায়। তিনি বলেন, বৃষ্টি অইলে ক্ষেতে পানি জমে। ওই ক্ষেতে কামলারা নামতে চায় না। আবাদ না করলে না খাই থাকতে অইবো। করলেও ক্ষতি অয়। ক্যামনে চলূম? গোসাইপুর ইউনিয়নের মাটিয়াকুড়া গ্রামের কৃষক আমের আলী বলেন, দেড় একর জমিতে বোরো আবাদ করছিলাম। এই শিলে মেলা ক্ষতি করছে। অহন ক্ষেতের ধান কাটতে গেলে প্রতি কাঠায় এক মণ করেও অয়না। কামলার দামও বেশি। ক্যামনে ক্ষেত কাটুম?

Shamol Bangla Ads

একই গ্রামের বাসিন্দা বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, কত কষ্ট করে বোরো আবাদ করা হয়। অহন কামলা নিতে গেলেও পাওয়া যায় না। ধান কাটার মেশিন থাকলে তাও কিছুটা পোষাতো। অহন ক্ষেতের ধান ক্ষেতেই থাকবো। ঝিনাইগাতীর ধানশাইল ইউনিয়নের কুচনীপাড়া গ্রামের কাইজদ্দিন শেখ, মুছলিম মিয়া, জহুর আলীসহ অনেকে জানান, এবার ধান খুব ভাল হয়েছে। ঠিক মতো ধান কেটে ঘরে তুলতে পারলে প্রতি কাঠায় প্রায় ৪ মণ করে ধান হবে। তবে শ্রমিক সংকটের কারণে দু:শ্চিন্তায় দিন কাটছে বলে জানান বিভিন্ন গ্রামের কৃষকরা।

শ্রমিক সংকটের সত্যতা নিশ্চিত করে শ্রীবরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়ুন দিলদার বলেন, এ পর্যন্ত উপজেলায় ধান কাটার জন্য ১০টি হার্ভেস্টার মেশিন দেয়া হয়েছে। কৃষকরা এই মেশিন দিয়ে ধান কাটলে অনেকটাই সাশ্রয় হবে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads