হাজার হাজার মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চিরবিদায়
শেরপুরে রাজনৈতিক ও পেশাগত সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীসহ হাজার হাজার মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে চিরবিদায় নিয়েছেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট সংগঠক এ্যাডভোকেট তৌহিদুর রহমান তৌহিদ (৬৫)। ১ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শেরপুর সরকারি কলেজ মাঠে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাযায় মানুষের ঢল নামে।

নামাজে জানাযায় এ্যাডভোকেট তৌহিদুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আতিউর রহমান আতিক এমপি বলেন, রাজনীতি ও আইনপেশার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে যুক্ত থাকার সুবাদে দলমতের উর্ধ্বে সকলের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাত্র ছিলেন। ছিলেন একজন পরিচ্ছন্ন সংগঠক।
অন্যান্যের মধ্যে স্মৃতিচারণ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. হযরত আলী, শেরপুর পৌরসভার মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান ছানুয়ার হোসেন ছানু, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোখলেছুর রহমান আকন্দ, সাবেক সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, একেএম মোছাদ্দেক ফেরদৌসী, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম ভাসানী, জেলা আইনজীবী সমিতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার, স্পেশাল পিপি এ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু, আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার নজরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা সাইফুল ইসলাম স্বপন, আব্দুল আওয়াল চৌধুরী, এসএম শহীদুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট মোখলেসুর রহমান জীবন, এ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান, প্রভাষক মামুনুর রশীদ পলাশ, আবু রায়হান রূপন, কামারেরচর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মিজু, মরহুমের পুত্র প্রকৌশলী তুহিন প্রমুখ।

পরে সদর উপজেলার চরশেরপুর সাতানিপাড়া গ্রামে মরহুমের দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। সেখানেও হাজার হাজার মুসল্লী জানাযা ও দাফনে শরিক হন।
উল্লেখ্য, ৩১ জানুয়ারি সোমবার সকালে রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিস্থ আনোয়ার খান মডার্ণ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন এ্যাডভোকেট তৌহিদুর রহমান তৌহিদ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও ২ পুত্র সন্তানসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে যান।




