শেরপুর নকলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে স্থানীয় হাজী জালমামুদ সরকারি কলেজে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্রে স্বাস্থবিধির বালাই নেই। টিকা প্রার্থীদের হুড়োহুড়িতে বিঘ্নিত হচ্ছে টিকাদান। দু’একজন ছাড়া কেউ মুখে মাস্ক ব্যবহার করছে না।

৩০ জানুয়ারি রবিবার উরফা দাখিল মাদ্রাসা, কুটেরচর চৌধুরী জোনাব আলী দাখিল মাদ্রাসা, তারাকান্দা দাখিল মাদ্রাসা, দধিয়ারচর চরমধুয়া নামাপাড়া দাখিল মাদ্রাসা, চরমধুয়া দাখিল মাদ্রাসা ও বন্দটেকি দাখিল মাদ্রাসার ১৩৫৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে কোভিড-১৯ টিকাদানকালে সরেজমিন অনুসন্ধানে এসব অনিয়ম দেখা গেছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ জানান প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থীকে টিকাদানের সিডিউল দেওয়া থাকে। পুরোপুরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা দিতে গেলে প্রতিদিন ৩০০ জনের উপরে টিকা দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের উপর চাপ আছে প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ প্রয়োজনে ২০০০ শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া। বলা হয়েছিল জানুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যে টিকাদান শেষ করতে হবে। কিন্তু আজ থেকে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রথম ডোজ টিকাদান শেষ হল। কাল কারিগরি শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন একটিমাত্র কক্ষ থেকে এতসব শিক্ষার্থীকে টিকাদানের ব্যবস্থা করায় স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে জানান আব্দুর রশিদ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা বলেন, আজ টিকাপ্রার্থী বেশি থাকায় প্রথম দিকে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরবর্তীতে আমরা সমন্বিত উদ্যোগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পেরেছি। ফাইজারে টিকা যেহেতু এসি রুম ছাড়া রাখা যায়না। তাই টিকাদানের জন্য একাধিক এসি রুমের ব্যবস্থা করা কষ্টসাধ্য। তাছাড়া পুলিশ দিয়ে তো আর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। আমরা যতদূর পারছি তাদেরকে বুঝিয়ে শান্ত পরিবেশে টিকাদানের ব্যবস্থা করছি।




