শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে ১৬ প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীকে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২৩ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাল আবেদীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৬টি মামলায় ১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর কাছ থেকে ওই জরিমানা আদায় করেন।

জানা যায়, এ উপজেলায় পঞ্চম ধাপে ৭টি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ৫ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও সদস্যা প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নৌকা প্রতিকের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ বেশি। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আসছেন। মনোনয়ন দাখিলের সময় শতশত যানবাহনে ঢাকঢোল পিটিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন প্রার্থীরা।
২০ ডিসেম্বর প্রতিক বরাদ্দ পাওয়ার পর প্রতিনিয়ত শোডাউন ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন প্রার্থীরা। সভা-সমাবেশে নির্বাচনী আচরনবিধি লঙ্ঘন করে খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে অবাধে। টাকা দিয়ে সরাসরি ভোট কেনারও অভিযোগ রয়েছে অনেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, কাংশা ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী জহুরুল হক গুরুচরন দুধনই বাজারে তোরণ নির্মাণ করেছেন। হাতিবান্ধা ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী ওবাইদুল ইসলাম পাগলারমুখ বাজারে নৌকার প্রতিক দিয়ে গেইট তৈরি করে তাতে আলোকসজ্জা করেছেন। এ নিয়ে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আসলাম ও আনার উল্লাহ।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জয়নাল আবেদীন জরিমানা আদায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




