কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে শেরপুরে লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের ১৫টি টিমের পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২ জুলাই শুক্রবার সকাল থেকে দিনব্যাপী পরিচালিত ওইসব অভিযানে শেরপুর সদরসহ ৫ উপজেলায় মোট ১৮৮টি অভিযানে ৪৫ মামলায় ২৮ হাজার ৮৮০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ এক প্রেস রিলিজে ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, শুক্রবার সকাল থেকে শেরপুর সদর উপজেলায় ৪টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৬৩টি অভিযানে ১০টি মামলায় ১৭ হাজার ২৮০ টাকা, নকলা উপজেলায় ৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৩২টি অভিযানে ৮টি মামলায় ২ হাজার ৫৫০ টাকা, নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৩০টি অভিযানে ১৪টি মামলায় ৪ হাজার ৯৫০ টাকা, শ্রীবরদী উপজেলায় ৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৩৪টি অভিযানে ৯টি মামলায় ৩ হাজার ৬শ টাকা ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ২টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৯টি অভিযানে ৪টি মামলায় ৫শ টাকাসহ জেলায় মোট ২৮ হাজার ৮৮০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এ ব্যাপারে শেরপুরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) এটিএম জিয়াউল ইসলাম জানান, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোমিনুর রশীদের দিক-নির্দেশনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তোফায়েল আহমেদ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুকতাদিরুল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ফরিদা ইয়াছমিনসহ জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে লকডাউন কার্যকর করতে ওইসব অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও সহযোগিতা করেছেন। অভিযানকালে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় এবং বিনা কারণে ও মাস্ক ছাড়া শহরে বিচরণ করায় পৃথক পৃথক মামলায় ওইসব জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকারঘোষিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত জেলা লকডাউন কার্যকরে ওই অভিযান অব্যাহত থাকবে।




