মামলার জট কমিয়ে আনাকে বিচার বিভাগের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, সরকার ও সুপ্রিমকোর্টের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি বিচারকদের উদ্ভাবনীমূলক নানা পদক্ষেপ মামলাজট কমাতে সাহায্য করবে। ২১ মার্চ রবিবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য অনলাইনে আয়োজিত ৭ম ওরিয়েন্টশন কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদের সভাপতিত্বে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার এবং ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) মো. গোলাম কিবরিয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

বিচার প্রক্রিয়ায় স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় সাধনের মাধ্যমেও মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে বলে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, মামলাজট কমাতে বিচার ব্যবস্থায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাকে অধিক কার্যকর করার লক্ষ্যে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সংশ্নিষ্ট আইনে সংশোধনী এনে মামলার বিভিন্ন স্তরে সময় বেধে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। এতে বিচারকদের ভূমিকা অগ্রগণ্য।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগকে আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে অনেক পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ নিয়েছে। অধিকন্তু ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ই-জুডিসিয়ারি প্রকল্প একনেকে পাস হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। বিচার বিভাগের উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগগুলো তখনই সফল হবে যখন বিচার বিভাগ জনগণের প্রত্যাশা মেটাতে সক্ষম হবে।




