স্টাফ রিপোর্টার ॥ আর মাত্র একদিন পরই ঈদুল আজহা। কোরবানীর এ ঈদে মাংস কাটার অন্যতম অনুসঙ্গ হচ্ছে গাছের গুড়ি বা খাটিয়া। তাই ঈদকে সামনে রেখে শেরপুরে বেড়ে গেছে খাটিয়ার চাহিদা ও দাম।
জানা যায়, ব্যবহার করা খাটিয়া অনেকেই সংরক্ষণ করে না পরের বছরের জন্য। ফলে পরের বছর আবারও নতুন করে খাটিয়া কিনতে হয়। এ বছর দাম একটু বেশি, তারপরেও কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।মাঝারি আকৃতির গাছের শেষ ভাগ গোল গোল করে কেটে ১৬ থেকে ২০ ইঞ্চি পর্যন্ত পুরুত্ব রেখে খাটিয়া বানানো হয়। সাধারণত মাংস কাটার সুবিধার জন্যই এটি তৈরি করা হয়। কোরবানীর ঈদকে সামনে জেলার প্রতিটি গরুর হাট আর শহরের কাঠের দোকানগুলোতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ওইসব খাটিয়া। পুরুত্ব এবং সাইজ অনুসারে ১৫০ থেকে ৫শ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে ওইসব খাটিয়া।
শহরের নওহাটা গরুহাটে ভ্যানগাড়ি করে খাটিয়া বিক্রি করতে এসেছেন মজিবর রহমান। তিনি জানান, শুধু কোরবানির ঈদেই মাংস কাটার জন্য খাটিয়া ব্যবহার করা হয়। বছরের অন্য সময়ে খাটিয়ার ব্যবহার নেই বললেই চলে। এবার গতবারের চেয়ে প্রতিটি খাটিয়া ৫০ থেকে ১শ’ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম যাই হোক এসব খাটিয়ার বাজার সারাবছর জমজমাট না থাকলেও কোরবানির সময় কদরটা বেড়ে যায়। তিনি আরও বলেন, ক্রেতারা তেঁতুল এবং কদবেল গাছের খাটিয়া বেশি পছন্দ করে।
খাটিয়া ক্রেতা শফিকুল ইসলাম জানান, আসলে বছরের অন্য সময়ে খাটিয়া কেনা হয় না। শুধু কোরবানির ঈদেই মাংস কাটার জন্যই কেনা হয়।




