স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে রূপা আক্তার নামে এক গৃহকর্মীর মৃত্যুর ২২ দিন পর পুন:ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। ৩০ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেলে শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম ঝিনিয়া গ্রাম থেকে ওই গৃহকর্মীর লাশ উত্তোলনের পর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগে প্রেরণ করা হয়।
জানা যায়, জেলা শহরের দুর্গা নারায়নপুর মহল্লার প্রবাসী এসএম মমিনের স্ত্রী সালমা জাহান সাথীর বাসায় রূপা প্রায় দেড় বছর আগে গৃহকর্মী হিসাবে কাজ শুরু করে। ৯ আগস্ট রূপা আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যুর পর ময়না তদন্ত শেষে লাশ ১০ আগস্ট জেলার শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম ঝিনিয়া গ্রামে নিহতের নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়। ওই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ গৃহকর্ত্রী সাথীকে গ্রেফতার করে এবং ১১ আগস্ট বৃহস্পতিবার আসামি সালমা জাহান সাথীকে ৩ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
এদিকে হাসপাতালের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ওই গৃহকর্মীর মৃত্যু ফাঁসিতে আত্মহত্যাজনিত। পরবর্তীতে মামলার বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৩ আগস্ট লাশের পুনঃময়না তদন্তের জন্য লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেয় আদালত। শেরপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবুল মনসুরের নেতৃত্বে পুলিশ মঙ্গলবার লাশ উত্তোলন করে। ওই সময় জেলা মহিলা পরিষদসহ বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। লাশ উত্তোলনের সময় আশপাশের শত শত জনতা রূপা হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করে।




