
শ্যামলবাংলা ডেস্ক : শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নিয়ে সেনা সদস্যরা বিশ্ব দরবারে দেশের মর্যদা উজ্জ্বল করছে। দেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সব কিছুতেই শান্তি মিশনে অংশ নেয়া সেনা ও পুলিশ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটিতে বেসকারি সংগঠন সিএলএনবি’র আয়োজনে ‘আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এমন মন্তব্য করেন।
সিএলএনবি চেয়ারম্যান হারুনূর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কর্নেল (অব.) দিদারুল বীর প্রতীক।
আলোচনায় অংশ নেন শ্রমিক নেতা হারুনার রশিদ ভুঁইয়া, বাংলাদেশ সংযুক্ত শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোকাদ্দেম হোসেন, প্রশিকার পরিচালক নার্গিস জাহান বানু, অ্যাড.আফজাল হোসেন।
কর্নেল (অব.) দিদারুল বলেন, বাংলাদেশের সেনারা ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হওয়া শান্তি মিশনে দায়িত্ব পালনকালে সততা, দক্ষতা, নিরপেক্ষতার মধ্যমে দুস্থদের সহযোগিতা এবং যুদ্ধরত উপদলগুলোর মধ্যে শান্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। শান্তি মিশনে গিয়ে মোট ১৩০ সেনা আত্মদান করেছেন।
এ পর্যন্ত ৫৪টি মিশনে সর্বমোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭শ’ ৩৯ জন সেনা অংশ নিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের অর্জিত অর্থের বড় অংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যোগ হয়। দেশের অর্থনীতির পেছনে প্রাবাসীদের মতো এসব সেনা সদস্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কিন্তু বিষয়টি এখনও প্রচার প্রচারণায় গুরুত্ব পায়নি বলে উল্লেখ করেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।





