ads

শুক্রবার , ১৩ নভেম্বর ২০১৫ | ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

লাউ চাষে হাজারও কৃষক স্বাবলম্বী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
নভেম্বর ১৩, ২০১৫ ৬:১৩ অপরাহ্ণ

pic-2এস,এম,তারেক নেওয়াজ, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) : কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে এ বছর লাউসহ বিভিন্ন সবজির ব্যাপক চাষ হয়েছে। সবজি চাষ করে কয়েক হাজার কৃষক স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অনেকেই আজ লাখপতি। কিন্তু সংক্ষণের অভাবে কৃষকেরা উৎপাদিত সবজির ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ায় হোসেনপুরে একটি হিমাগার স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
সরজমিনে গত শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখাগেছে, চলতি মওসুমে বিভিন্ন প্রকার সবজির বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকরা মহা খুশি। এ সময় স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানাযায়, উপজেলার ব্রহ্মপুত্র ও নরসুন্দার চরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত গাম-গঞ্জের মাটির গুনগত মান লাউসহ সবজি চাষের জন্য অধিকতর উপযোগী হওয়ায় বিগত ৮-১০ বছর যাবত এসব এলাকায় সবজির আবাদ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে খেটে থাওয়া মানুষের আর্থিক অবস্থারও পরিবর্তন হয়েছে ব্যাপক। সবজি চাষ করে বহু কৃষক পরিবার আজ স্বাবলম্বী।
উপজেলার সাহেবেরচর গ্রামের কৃষক গোলাপ মিয়া,চর-জিনারী গ্রামের কৃষক আলাল উদ্দিন,গোবিন্দপুর গ্রামের আবুল কালমসহ অনেকেই জানান,বিগত সময়ে চরাঞ্চলের কৃষকেরা বালুমিশ্রিত জমিতে মিষ্ঠি আলু,মাসকলাই ও বাদাম ছাড়া অন্য কোন ফসল উৎপাদনের চিন্তা করতো না। বর্তমানে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব এলাকায় ধান,পাট,লাউ,কুমড়াসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে প্রতিটি কৃষকই তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিয়েছেন। হোসেনপুরের সর্বত্রই এখন অর্থকরি ফসল হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে লাউসহ বিভিন্ন সবজি। কৃষকের উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও প্রতিদিন রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানী করা হচ্ছে। উপজেলার চর-কাওনা গ্রামের আল-মামুন,পুমদি গ্রামের আজিজুলসহ অনেকেই জানান,পরিশ্রম করে সবজি উৎপাদন করলেও লাভের বেশীর ভাগ অংশ চলে যায় এক শ্রেনীর ফরিয়াদের পকেটে। কারন হিসেবে তারা বলেন, সবজি সংরক্ষনের জন্য হোসেনপুরে কোনো হিমাগার না থাকায় ক্ষেত থেকে সবজি তোলার পর-পরই কৃষকরা পচঁনের আশংকায় তড়িগরি করে কম মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হয়ে থাকেন।
উপজেলার চর জামাইল গ্রামের কৃষক ছিদ্দিক মিয়া জানান,বিভিন্ন প্রতিকুলতা পেড়িয়ে এবার লাউয়ের বাম্পার ফলন ও মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় শুধুমাত্র লাউ বিক্রি করে আয় করেছেন প্রায় দুই লক্ষ টাকা। তার মত উপজেলার রহিমপুর গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলাম,চর-হাজীপুর গ্রামের মফিজ উদ্দীন,দাপুনিয়ার মুস্তাক আহমেদ,উত্তর গোবিন্দপুরের দেলুয়ার হোসেনসহ কয়েকশত কৃষক সবজি চাষে লাখপতি হয়েছেন।তাদের দেখাদেখি অনেকেই অন্য ফসল বাদ দিয়ে লাউসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষে ঝুঁকে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুলতান আহম্মেদ জানান, এ বছর লাউ,আলু,কপিসহ বিভিন্ন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে সংরক্ষণ সংকটে কৃষকরা উৎপাদিত সবজির ন্যয্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই তিনি এ এলাকায় একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সূ-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

Need Ads