স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে অটো রাইস মিলে নৈশ প্রহরীকে বেঁধে প্রায় পৌণে ১৪ লাখ টাকার চাল লুটের ৪ দিন পরও শনাক্ত হয়নি লুটেরা, উদ্ধার হয়নি লুণ্ঠিত চাল। এ নিয়ে চালকল মালিক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শেরপুর চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি, জেলা চালচল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রওশনের মালিকানাধীন ব্যবসাসমৃদ্ধ এলাকা দিঘারপাড়স্থ যমুনা অটো রাইস মিলে হানা দেয় ১০/১২ জনের একদল লুটেরা। তারা প্রথমে মিলের প্রধান ফটকের সামনে ট্র্র্রাক রেখে গ্রীল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ওই মিলের নৈশ প্রহরীকে মুখ ও হাত-পা বেঁধে রেখে চাল গুদামের তালা ভেঙ্গে ২শ ১৬ বস্তা চাল ট্রাকে তুলে নেয়। পরে লুটেরা দল সদর উপজেলার বাজিতখিলা বাজারের ইদ্রিসের মিলে হানা দিয়ে একই কায়দায় ৬০ বস্তা চাল ট্রাকে উঠিয়ে কেটে পড়ে। এছাড়া তারা দিঘারপাড় এলাকায় আরও দু’টি মিলের তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। শুক্রবার সকালে ঘটনা জানাজানি হলে জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে ওই ঘটনায় শেরপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে ঘটনার ৪ দিন বা মামলার ৩দিন পরও উদ্ধার হয়নি কোন তথ্য। ওই ঘটনায় শেরপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মোঃ মাসুদ উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত লুটেরাদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত চাল উদ্ধারের দাবি জানিয়ে বলেন, অন্যথায় ব্যবসায়ীদের তরফ থেকে কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে শেরপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাজাহান মিয়া বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই ঘটনার সাথে আন্তঃজেলা সিন্ডিকেট সম্পৃক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দ্রুতই তাদের শনাক্ত করে আইনের মুখোমুখি করার চেষ্টা চলছে।




