জামালপুর প্রতিনিধি : স্থানীয় প্রশাসনের নজর না থাকায় বকশীগঞ্জ বাস মালিক ও সিএনজি চালকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে যাত্রীরা। ঈদ উপলক্ষে নাড়ীরটানে ঘরে ফেরা মানুষেরা পেটের টানে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে। কিন্তু ভোগান্তির যেনও শেষ নেই তাদের । ঈদের আগে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে আসতে যেমন দ্বিগুন ভাড়া দিতে হয়েছে তেমনি কর্মস্থলে ফিরতেও দ্বিগুন ভাড়া দিতে হচ্ছে। অসাধু কিছু বাস মালিক কথিত কতিপয় শ্রমিক নেতার যোগসাজসে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুন ভাড়া আদায় করছে বলে ভোক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ।
সরেজমিনে দেখা গেছে,প্রত্যাকটি বাস কাউন্টারে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুন ভাড়া নেয়া হচ্ছে। জন প্রতি ৩ শ টাকার ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৬শ থেকে ৭ শ টাকা। বকশীগঞ্জ থেকে জামালপুর পর্যন্ত সিএনজি ভাড়া ৬০ টাকার পরিবর্তে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে এবং বকশীগঞ্জ থেকে শেরপুর পর্যন্ত ৫০ টাকার পরিবর্তে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে। ভোগান্তির যেন শেষ নেই যাত্রীদের। রোববার রাতে এটিএন নিউজের স্টাফ আনোয়ার হোসেনের কাছেও শ্যামাশশী ক্লাসিক পরিবহন বাসের একটি টিকিটের জন্য ৬শ টাকা নেয়া হয়।
এব্যাপারে ঢাকাগামী বাসযাত্রী আব্দুর রহমান বলেন,ঈদের ৭ম দিনেও দ্বিগুন ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। বকশীগঞ্জে প্রশাসন বলতে কিছু আছে বলে মনে হয়না।
বাসযাত্রী রহমান মিয়া বলেন, আমার মনে হয় প্রশাসন ও মিডিয়াকর্মীদের ম্যানেজ করেই এই গলাকাটা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ।
এ ব্যাপারে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পিএসএম মোস্তাছিনুর রহমান জানান,বাড়তি ভাড়া নেয়ার ব্যাপারে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। তবু বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।




