ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি : পাহাড়ী ঢলে শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় কৃষি ও মত্স্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফলে এ উপজেলার চাষীরা পড়েছে মহাবিপাকে। গত সপ্তাহে কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা মহারশি, কালঘোষা, সোমেশ্বরী ও মালিঝিনদীর পানিতে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে। পানিবন্দী হয়ে পড়ে হাজার হাজার মানুষ। পাহাড়ী ঢলের পানির তোড়ে এলজিইডি’র রাস্তাঘাট বিধ্বস্ত হয়। পানিতে তলিয়ে শাকসবজির বাগান আমন ধানের ক্ষেত ও পুকুরের মাছের ক্ষতি সাধিত হয়। ঢলের পানির তোড়ে বিভিন্ন নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ ভেঙ্গে বহু ফসলী জমিতে বালির স্তর পড়ে। বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেড়ে যাচ্ছে। বাড়ছে পানিবন্দী মানুষের আহাজারি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোঃ কোরবান আলী বলেন, অতি বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে উপজেলার সর্বত্র প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির আমন ধানের ক্ষেত প্রায় ১শ’ হেক্টর জমির শবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে ক্ষতি সাধিত হয়। উপজেলা প্রকৌশলী আমির আলী বলেন, পাহাড়ী ঢলের পানির তোড়ে এলজিইডির বহু রাস্তাঘাট বিধ্বস্ত হয়েছে এবং অনেক স্থানে রাস্তাঘাট হুমকির মুখে। সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে মত্স্য চাষী ও উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা সুতপা ভট্টাচার্যের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পানিতে তলিয়ে শতশত পুকুরের প্রায় কোটি টাকা মুল্যের মাছ ভেসে গেছে। ফলে এ উপজেলার কৃষক ও মত্স্য চাষীরা পড়েছে মহাবিপাকে।




