ads

শনিবার , ১৮ অক্টোবর ২০১৪ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মন্ত্রীসভায় রদবদলের সম্ভানায় হাসানাতকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় গৌরনদী ও আগৈলঝাড়াবাসী

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
অক্টোবর ১৮, ২০১৪ ৭:২২ অপরাহ্ণ

Hasina & Hasnat Mpঅপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : বহুল সমালোচনার ঝড় বইয়ে বহু বির্তকের জন্ম দিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে মন্ত্রীসভা থেকে অপসারণ করার পর নতুন করে মন্ত্রীসভার রদবদল বা দপ্তর সাজাতে প্রধানমন্ত্রী আগ্রহী হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

Shamol Bangla Ads

দলের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিকসূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের মধ্যেই মন্ত্রীসভার রদবদল হতে পারে। লতিফ সিদ্দিকীর কারণে আরেক দফা হাসানাতের মন্ত্রীসভায় আসার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমানে দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বরিশালের সাধারণ জনতা নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। সূত্রমতে, দলের প্রবীণ নেতারা বা বিগত দিনে মন্ত্রীত্বে ছিলেন এমন ব্যক্তিদের বেশ কয়েকটি দপ্তরের দায়িত্ব দেয়ার সম্ভবনা সরকারের মধ্যে আলাপ-আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে। সেখানে বরিশালের দলীয় কান্ডারী হাসানাতের নামটিও উচ্চারিত হচ্ছে বেশ জোরালোভাবে। কারণ হিসেবে মন্ত্রীসভায় বরিশাল জেলার কেউ না থাকায় হাসানাতের বিষয়টি এবার অধিক গুরুত্ব পাচ্ছে। রাজনৈতিক হিসেব নিকেশ ও বরিশালের প্রেক্ষাপটে স্থানীয়ভাবে সংগঠনকে ধরে রাখতে এ জেলা থেকে কাউকে মন্ত্রীসভায় ডাকার সম্ভবনা বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে বলে দলীয় উর্ধতন সূত্র থেকে জানা গেছে। সূত্রমতে, ’৭৫ পরবর্তী সময়ে বরিশালের একমাত্র নৌকার মাঝি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর হাতে দেয়া হয়েছে। তবে বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষ (বিএনপি-জামায়াত) চাচ্ছেন হাসানাত দলের মধ্যে কোনঠাসা হয়ে থাকলে রাজনৈতিক ভাবে তারা লাভবান হবেন। কারন বরিশালে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে হাসানাতের কোন বিকল্প নেই। তার মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ মাঠে থাকলে বরিশালে বিরোধী পক্ষের রাজনীতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা দুরহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে।
স্থানীয় একাধিকসূত্রে জানা গেছে, বিগত ১৯৯৬ সালে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ আওয়ামীলীগ সরকারের চিফ হুইপ থাকাকালীন সময়ে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের এমন কোন জেলা কিংবা উপজেলা নেই যেখানে তার মাধ্যমে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতের চারদলীয় জোটের হামলা-মামলার কারণে বরিশালে হাসানাতের অনুপস্থিতিতে তার হাত ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়া শওকত হোসেন হিরণ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় বরিশাল সদরে নৌকার হাল ধরে রেখেছিলেন। বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলের রাজনৈতিক নেতারা মানে করছেন, বর্তমান সরকারের সময়ে বরিশাল জেলায় আর কাউকে মন্ত্রীসভায় স্থান দেয়া হয়নি। অথচ গোটা দক্ষিনাঞ্চলের নেতৃত্ব যার হাতে সেই হাসানাতকে এবার অবশ্যই মন্ত্রী সভায় ঠাঁই দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তাই প্রধানমন্ত্রী এবার অন্তত বরিশালের বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে মন্ত্রীসভায় আনবেন বলে বরিশালবাসী অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। দলের হাইকমান্ড সূত্রে জানা গেছে, ইতালীতে সফরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই মন্ত্রীসভা রদবদলসহ বেশ কয়েকজন প্রবীণ বা নবীণ নেতাকে দায়িত্ব দিয়ে চমক সৃষ্টি করার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাতে হাসানাতের মন্ত্রীত্বের মাধ্যমে ভাগ্য খুলতে পারে গৌরনদী-আগৈলঝাড়াসহ দক্ষিণাঞ্চলবাসীর।

Shamol Bangla Ads

আগৈলঝাড়ায় বিরোধীয় জমিতে লাগানো গাছ ও সাইনবোর্ড ভাংচুর

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বিরোধীয় জায়গার লাগানো গাছ ভেঙ্গে সাইনবোর্ড খুলে নিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাসপট্টি গ্রামে আনিচুর রহমানের সাথে ফয়জুল হক বাবুর দীর্ঘদিন ধরে ১২.৭৫ শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি আনিচুর রহমান ওই বিরোধীয় জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে রেইনট্রি ও কাঁঠাল গাছ রোপনসহ একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয়। লাগানো গাছ গত ১৬ অক্টোবর গভীর রাতে ফয়জুল হক বাবুসহ ৩-৪ জনের একটি ভেঙ্গে ফেলে সাইনবোর্ড নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আনিচুর রহমানের পিতা ইছাহাক সরদার বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশের এএসআই মকবুল ঘটনাস্থল পরিদর্ষণ করেন।

আগৈলঝাড়ায় সন্ধ্যা হলেই রমরমা জুয়ার আসর

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে সন্ধ্যা হলেই বসছে রমরমা জুয়ার আসর। যুবকরা জুয়ার আসরে তাদের সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছে অনেকেই। পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়ারীদের ধরলেও অজ্ঞাতকারণে তাদের ছেড়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পয়সারহাট ব্রীজ এলাকার পূর্ব ও পশ্চিমপাড়ের নির্দিষ্ট কিছু বাড়িসহ আশেপাশের এলাকায় প্রতিদিন সন্ধ্যা হলেই বসে জমজমাট জুয়ার আসর। এসব আসরে স্থানীয় প্রভাবশালীরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বাশাইল, মাগুরা, কান্দিরপাড়, চেঙ্গুটিয়া, আমবৌলা স্লুইজগেট, বাগধা বাজার, ছয়গ্রাম, উত্তর শিহিপাশা, বাকাল বাজার, রামেরবাজার, কাঠিরা, হাওলা, সেরাল, টেমারসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে সন্ধ্যা হলেই বসছে রমরমা জুয়ার আসর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ দু’একটি স্থানে অভিযান চালিয়ে জুয়ারীদের ধরলেও অজ্ঞাতকারণে তাদের ছেড়ে দেয়া হয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। অনেক স্থানে জুয়ার আসরে খেলতে আসা জুয়ারীদের মোটা অংকের সুদের বিনিময়ে টাকা দেয় সুদী মহাজনের লোকজন। উপজেলার বিভিন্ন স্থানের সংখ্যালঘুদের ঘরে জুয়ার আসর বসাতে বাধ্য করে জুয়ারীরা। বিনিময়ে তাদের দেয়া হয় ৫শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। বিপথগামী যুবকরা জুয়ার আসরে তাদের সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছে অনেকেই। মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালালেও কিছুদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় সেখানে জমজমাট জুয়ার আসর বসে।

Need Ads
error: কপি হবে না!