ads

বুধবার , ২৭ আগস্ট ২০১৪ | ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নরসিংদীতে সাড়ে ৪ মণ ওজনের সাউস মাছ বিক্রি হয়েছে ৬৬ হাজার টাকা মূল্যে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
আগস্ট ২৭, ২০১৪ ২:১৮ অপরাহ্ণ

Picture--1এম,লুত্ফর রহমান, নরসিংদী : গত সোমবার রাতে নরসিংদী জেলা শহরের মুসলেহ উদ্দিন মৎস আড়তে আমদানী হয়েছে বিশাল এক সাউস মাছ। স্থানীয়ভাবে হাউস মাছ হিসেবে পরিচিত, এই মাছটি লম্বায় ৮ফুট এবং প্রস্থে ৭ ফুট। এর লেজটিও প্রায় ৬ ফুট লম্বা। সর্বসাকুল্যে মাছটির ওজন ১৬৫ কেজি। অর্থাৎ বাংলা হিসেবে প্রায় সাড়ে ৪ মণ। মাছটি বিক্রি হয়েছে মাঝারী আকারের ২টি গরুর দামে। বিশাল আকৃতির এই সাউস মাছটি ধরা পড়েছে কুলিয়ারচর উপজেলার মেঘনা নদীতে।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার চালাকচর গ্রামের জেলে চন্দন বর্মন মেঘনা নদীতে বেড়জাল বেয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। সোমবার সকালে সে বেড়জাল নিয়ে কুলিয়ারচর মেঘনা নদীতে বাইতে যায়। বিশাল এলাকা নিয়ে জাল টানার সময় সাড়ে ৪ মণ ওজনের এই বিশাল সাউস মাছটি ধরা পড়ে। চন্দন বর্মন মাছটি বেশী দামে বিক্রি করার জন্য কুলিয়ারচর থেকে নরসিংদী শহরের মুসলেহ উদ্দিন সুপার মার্কেটের মৎস আড়তে নিয়ে যায়। মাছটি সেখানে আমদানী হবার পর মুখে মুখে খবর ছড়িয়ে পড়লে আশেপাশের শত শত লোক মাছটিকে এক নজর দেখার জন্য বাজারে ভীড় জমায়।
প্রবীন মৎসজীবিদের মতে স্মরনকালে এতবড় সাউস মাছ ধরা পড়েছে বলে জানা যায়নি। চন্দন বর্মণ মাছটি আড়ৎদার জোটন দাসের নিকট পাইকারী দরে বিক্রি করে দেয়। জোটন দাস মাছটি ৪শত টাকা কেজি দরে মোট ৬৬ হাজার টাকায় বিক্রি করে। বিশাল আকৃতির পুরনো মাছ হিসেবে অনেক ক্রেতাই মাছটি লুফে নেয়। এ ব্যাপারে নরসিংদী জেলা মৎস কর্মকর্তা চৌধুরী আবুল ফারাহ’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সাউস মাছ মূলতঃ একটি সামূদ্রিক মাছ। তবে মেঘনা, পদ্মা, যমুনা এবং ব্রহ্মপুত্র নদীতেও এ মাছের বিভিন্ন প্রজাতি বাস করে। তিনি জানান, সাউস মাছের কয়েকটি প্রজাতি রয়েছে। কোন কোন প্রজাতি বিশাল আকৃতির হয়ে থাকে। সাউস মাছ প্রকৃত পক্ষে মাছ নয়। এটি একটি সামূদ্রিক বা জলজ প্রাণী। এ মাছ সাধারন মাছের মত ডিম পাড়ে না। এরা তিমি হাঙ্গর ইত্যাদি মাছের মত বাচ্চা প্রসব করে। মাছ হিসেবে সাধারনভাবে অনেকে এ মাছ খেলেও যারা এ মাছ সম্পর্কে ধারনা রাখে তাদের সকল ধর্মের মানুষ এ মাছ খায় না। মাওলানা মাহমুদুল হাসান আল মাদানী জানান, সাউস মাছ হাম্বলী মাজহাবের মুসলমানরা অনায়াশেই খায়। কিন্তু হান্নাফী, সাফেয়ী এবং লা-মাজহাবের মুসলমানরা সবাই খায় না। এসব মাজহাবের কোন কোন রেওয়ায়েতে মাকরুহ বলা হয়েছে। বাবু হলধর দাস জানিয়েছে, হিন্দু সম্প্রদায়েরও সব লোকেরা এই সাউস মাছ খায় না। যারা ধর্মভীরু তারা গরুর সাথে তুলনা করে এ মাছ খাওয়া থেকে বিরত থাকে। তবে যারা মাছ হিসেবে জানে তাদের সকলেই বাজার থেকে কিনে নিয়ে খায়। এ মাছের তেল বড়ই সুস্বাদু বলে জানা গেছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!