ads

মঙ্গলবার , ১৩ মে ২০১৪ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কেশবপুরে তীব্র খরায় হুমকির মুখে মৎস্য চাষ মৎস্য সংরক্ষণে হিমাগার দাবী চাষীদের

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ১৩, ২০১৪ ৭:২২ অপরাহ্ণ

Shamsur Rahman- 13--05--14কেশবপুর(যশোর)  প্রতিনিধি : কেশবপুের তীব্র খরায় অধিকাংশ খাল-বিল, মৎস্য ঘের, পুকুর শুকিয়ে গেছে। প্রকৃতির বিরুপ প্রভাবে প্রায় বন্ধ হতে চলেছে এ উপজেলার মৎস্য চাষ। এরপরও মৎস্য সংরক্ষণে নেই কোন বিকল্প ব্যবস্থা। ফলে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে মাছ ট্রাক, পিকআপ যোগে পাঠিয়ে দিচ্ছে ঢাকা, চট্রগ্রাম, সিলেট, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
জানাগেছে, কেশবপুর এক সময় মৎস্য চাষের জন্য বিখ্যাত ছিল। অতীতে প্রতিটি গ্রামের খাল-বিল, নদী-নালা, ভোবাসহ জলাশয়ে প্রাকৃতিক ভাবে পানি থাকার কারণে দেশী প্রজাতির মাছ ব্যাপক উৎপাদন হত। কিন্তু কালের আবর্তে হারিয়ে যেতে বসেছে দেশী প্রজাতির মাছ। বর্তমানে অধিকাংশ জলাশয়গুলো পানি শূন্য হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় ঘের ব্যবসায়ীগন খাল-বিলে পকেট ঘের করে মাছ চাষ শুরু করায় দেশী প্রজাতির মাছ আজ বিলুপ্ত প্রায়।
ঘের ব্যবসায়ীরা জানান, বৈশাখ মাস শুরুর সাথে সাথে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। এ মাসের মাঝামাঝি দু’দফা বৃষ্টিপাত হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। এতে স্বাভাবিক কৃষি কাজে যেমন স্থবিরতা দেখা দিয়েছে, তেমনি ভাটা পড়েছে মৎস্য চাষেও। অধিকাংশ ঘের, পুকুর পানি শূন্য হয়ে পড়ায় মাছের উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এ অবস্থায় ঘের, ব্যবসায়ীরা মৎস্য ঘের, পুকুরে সেচ যন্ত্রের সাহয্যে পানি সরবরাহ করে মাছের উৎপাদনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক মৎস্য চাষী পানি শূন্য ঘের ও পুকুরগুলোকে খনন করে এর গভীরতা বৃদ্ধি ও পাড় বাঁধায়ের কাজে মন দিয়েছেন । যে কয়টি ঘের, পুকুরে সেচ দিয়ে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে তার গভীরতা না থাকায় পানি উত্তপ্ত হয়ে মাছ মরে ভেসে উঠছে। এজন্য শুষ্ক মৌসুমে মাছের বাজার থাকে চড়া। শুষ্ক মৌসুমে মাছের চাহিদা একই থাকলেও অধিকাংশ জলাশয়গুলো পানি শূন্য হয়ে পড়ায় ভাটা পড়েছে উৎপাদনে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, এ উপজেলায় ১০ হাজার ১৭৭ টি পুকুর, ৩ হাজার ৬৩১  টি মৎস্য ঘের, ২৫টি বিল ও ২১ টি খাল রয়েছে। মানুষের মাছের চাহিদা রয়েছে ৪ হাজার ৮১৬ মেট্রিক টন। চিংড়ি মাছের চাহিদা রয়েছে ৭৯০ মেট্রিক টন। বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে মাছের উৎপাদন হয় ১১ হাজার ২১০ মেট্রিক টন। যা কেশবপুরের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলায় রফতানি করা হয়ে থাকে
শুষ্ক মৌসুমে মাছের উৎপাদনে ভাটা পড়ার কথা অস্বীকার করে উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, কেশবপুরের মানুষ প্রতি নিয়ত মাছ চাষে ঝুঁকছে। তারা শুষ্ক মৌসুমে সেচ দিয়ে মাছ চাষ করছে। তাছাড়া আগামী মৌসুমে যে পোনা লাগবে তা অধিকাংশ ঘের মালিক মজুদ রাখে। যার কারণে শুষ্ক মৌসুমে এর প্রভাব পড়ে না। তবে মাছ সংরক্ষনে এ উপজেলায় কোল্ড স্টোরেজ থাকলে এ সমস্যা সহজেই দূর হতো বলে তিনি দাবী করেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!