শ্যামলবাংলা ডেস্ক : আজ ২৫ শে বৈশাখ। বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি ছোটোগল্পের জনক, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১শ ৫৩তম জন্মবার্ষিকী। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ মোতাবেক ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৬ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বাণীতে বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন সমাজ সংস্কারক। শিল্প-সাহিত্যের পাশাপাশি শিক্ষা সংগঠন, স্বদেশের মুক্তি আন্দোলন, শান্তির পক্ষে অবস্থান গ্রহণসহ বাংলার গ্রামীণ জনগণের কল্যাণে কৃষিব্যাংক ও সমবায় উদ্যোগ তাকে পরিণত করেছে মাটির কাছাকাছি এক চিরকালীন মানবহিতৈষী হিসেবে।
প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, বিশ্বসাহিত্যের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। আমাদের মনের বিশ্বকবির ব্যঞ্জনাময় উপস্থিতি শোষণ, বঞ্চনা, সাম্প্রদায়িকতা ও অমানবিকতা প্রতিরোধে বাঙালির অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবে।
দীর্ঘ এক শতক ধরে তার কবিতা, গল্প, গান, নাটক, উপন্যাস আমাদের জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে ক্রমাগত অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। তার রচিত গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ বিশ্বসভায় মর্যাদার আসন লাভ করে। ইংরেজি সংস্করণের জন্য ১৯১৩ সালে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। তিনিই বিশ্বের একমাত্র কবি, যার দুইটি কবিতা দুইটি দেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত।
কবিগুরুর জন্মদিন উপলক্ষে সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে অনেক অনুষ্ঠান। বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনও আয়োজন করেছে অনুষ্ঠানের। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী জাতীয়ভাবে পালনের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।




