এম,লুত্ফর রহমান, নরসিংদী : নরসিংদী শহরে ভন্ড ভবানী দেবীর আভির্ভাবে হিন্দু ধর্মাবলম্বি মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ভবানী দেবীকে দিয়ে ধর্মের নামে অর্ধ বিস্তারের মাধ্যমে অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে অভিজ্ঞ মহলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, নরসিংদী শহরের মধ্যকান্দাপাড়া জনৈক পল্টু সাহার বাড়ীর ভাড়াটিয়া শহরের বৌয়াকুড় মহল্লা থেকে বিতারিত সুজনী রানী ৩৩ কোটি দেবতার মা রূপে আসর সাজিয়ে বসেছেন। একটি কুচক্রি মহল তাকে মদদ যোগাচ্ছে। সে হিন্দু ধর্মের যেমন সমালোচনা করছে তেমনই ইসলাম ধর্মেরও সমালোচনা করছে। তার কল্পিত নাম ‘জয় মা ভবানী’। হিন্দু ধর্মে যা অসম্ভব এবং নীতি বিরোধী তাই সে করে যাচ্ছে। পবিত্র গীতায় পা রেখে তার কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার সে ঐতিহ্যবাহী চিনিশপুর কালী বাড়ীতে গিয়েও আসর পাতার চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু কালী বাড়ীর সাধারণ সম্পাদকের বিচক্ষণতায় সেখানে সে আসর বসাতে পারেনি। মধ্যকান্দা পাড়ায় জনৈক জনপ্রতিনিধি নিজের ভোট ব্যাংক ঠিক রাখার উদ্দেশ্যে ধর্মবিরোধী এই মহিলাকে তার পালিত সন্ডা বাহিনী দিয়ে অর্ধমীয় কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার উজান চরের এই মহিলা হিন্দু ধর্মীয় সামাজিকতা বিরোধী কার্যকলাপের কারনে বিতারিত হয়ে জেঠাত ভাইকে বিয়ে করে নরসিংদী শহরে আসে। এর আগে সে বৌয়াকুড় মহল্লায় এ ধরনের অর্ধমীয় কার্যকলাপ চালিয়ে হিন্দু মুসলিম সমাজ পতিদের বিচার শালীশিতে দুষী সাব্যস্ত হয় এবং এলাকা থেকে বিতারিত হয়।
এ ব্যাপারে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রঞ্জিত কুমার সাহার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, এ মহিলা ভন্ড। একটি কুচক্রি মহল সরল-সহজ মানুষদের ভুল বুঝিয়ে তাদের হাত করে একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমি পুজা কমিটির পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার তার সাথে কথা বলে অপকর্ম বন্ধ করতে বলি এবং তাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসন ভেঙ্গে শহর থেকে চলে যাবার জন্য বলে এসেছি।




