মেহের আমজাদ, মেহেরপুর: মেহেরপুরে মৃৎশিল্প হাজারো সমস্যা আর অর্থ সংকটে বিলুপ্তির পথে। যার জন্য মৃৎশিল্পের সাথে জড়িত পরিবার গুলোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জানাগেছে অনেক মৃৎশিল্প পরিবার এরই মধ্যে তাদের বাপ-দাদার পেশা থেকে বেরিয়ে আসছে। কেননা এ পেশায় থেকে জীবনের খাদ্য বাসস্থান, সন্তানদের মানুষ কিছুই তারা করতে পারছে না। যুগের পরিবর্তন এসেছে, মানুষের পাল্টিয়েছে রুচি, আর্থিক দৈন্যদশা থেকে মানুষ অনেকটা বেরিয়ে এসেছে যে কারনে মৃৎশিল্পের চাহিদা কমে কদর বেড়েছে স্টীল, চিনামাটি, ম্যালামাইন, প্লাস্টিক, পারটেক্স এবং কাঠ জাতীয় জিনিসপত্রের। জীবনের প্রতিটা সেকেন্ড মিনিটে আধুনিকতার জোয়ারে ফুরিয়ে যেতে বসেছে লোক ঐতিহ্যের স্বাক্ষী মাটির তৈরী জিনিসপত্র। যেমন মাটির হাড়ি, থালা, মাটির ব্যাংক, মাটির কলস, ফুলের টব, সানকি,এবং মাটির তৈরী পুতুল, বাঘ, সিংহ, প্রতিমা এছাড়াও হাজারো মাটির সামগ্রী। শুধু গবাদি পশুর খাবারের জন্য হাওদা (গামলা), হিন্দু পুজা পর্বনের জন্য নির্মিত সামগ্রীর কিছুটা হলেও চাহিদা রয়েছে। তাছাড়াও গ্রাম অঞ্চলের অনেক মানুষ অবশ্য আজো কিছু মাটির তৈরী সামগ্রী ব্যবহার করে থাকে বলেই অনেক মৃৎশিল্প পরিবার জীবনের স্বপ্নকে মৃত ঘোষণা করেও বাঁচার প্রয়োজনে মৃৎশিল্পকে দেবতার আর্শিবাদ ভেবেই এই শিল্পের পুজারী হয়ে বেঁচে থাকার যুদ্ধে প্রতিনিয়ত কষ্টের গল্প বুনিয়ে যাচ্ছে। মেহেরপুরের চাঁদবিল গ্রামের হাতেগোনা কয়েকটি পরিবার কালের সাক্ষী হয়ে মৃৎশিল্পের সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও তাদের ভাগ্যের উন্নয়নে সরকার কোন পদক্ষেপ নেননি এমন অভিযোগ ৭০ উর্দ্ধের বয়স শ্রী হরি নারায়নের।




