ads

শনিবার , ১৯ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

গুনগত মানসম্পন্ন পণ্যের একটি অনন্য নাম বিআরবি কেবলস্

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১৯, ২০১৪ ১২:৩৫ অপরাহ্ণ

BRBএস এম জামাল, কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়া শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির জন্য যতটা বিখ্যাত, শিল্পায়নের ইতিহাস ঠিক তার উল্টো। মোহিনী মিলের প্রতিষ্ঠার পূর্বে উলে­খযোগ্য আর কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান এখানে গড়ে ওঠেনি। মোহিনী মিল প্রতিষ্ঠাটি এ অঞ্চলে বিরাট অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনে। মিলটি বন্ধ হয়ে গেলে ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয় তৈরি হয় গোটা কুষ্টিয়ায়। তখন ত্রাণকর্তার ভূমিকায় আবির্ভুত হন মো: মজিবর রহমান। কঠোর শ্রম আর সাধনায় কুষ্টিয়ার ভাগ্য বদলের মহানায়কের প্রতিকৃতি হয়ে উঠেন তিনি। কুষ্টিয়াকে শিল্প বানিজ্য ও আর্থ সামাজিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে সামাজিক দায়বন্ধতা থেকেই ১৯৭৮ সালের ২৩ অক্টোবর কুষ্টিয়া বিসিক শিল্প নগরীতে বি আর বি কেবলস্ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। এ যাত্রা ছিল তার জীবনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ১৯৮০ সালের ২৩ জানুয়ারী গুটি কয়েক লোক নিয়ে স্বল্প পরিসরে নিজের মূলধন ও পূবালী ব্যাংকের অর্থায়নে জাপান থেকে মেশিনারী আমদানী পূর্বক তা স্থাপন করে উৎপাদন শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে তেমন কোন অভিজ্ঞতা ও পর্যাপ্ত অর্থের সংস্থান না থাকায় শিল্প স্থাপনা ও ব্যাবসায়িক বিষয়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার নামমাত্র ঋণ নিয়ে নানা রকম শর্ত আরোপ শিল্প বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। চলতি মূলধনের স্বল্পতা ও ব্যাংক প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা করতে না চাওয়ায় বাজারের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না। এক সময় ধিরে ধিরে কারখানাটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয় এবং এক পর্যায়ে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় দেশের এমন কোন অর্থ লগ্নি প্রতিষ্ঠান নেই যেখানে তিনি যাননি। তবু থেমে ছিলনা তার চলার পথ। এবার তিনি নিজেই নিজের কাজে প্রতিশ্রি“তিবদ্ধ হলেন। গ্রহণ করলেন জীবনে আরোও একটিবার চ্যালেঞ্জ। অগ্রণী ব্যাংকের সহায়তায় ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কয়েকজন লোক নিয়ে শুরু করেন নতুনভাবে পথ চলা। মহান আল­াহ তায়ালার অশেষ রহমতে এরপর তাঁকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয় নি। এগিয়ে গেছেন সামনের দিকে। এভাবেই চলতে থাকে তার সংগ্রামী জীবন। অল্প সময়েই কারখানাটি প্রতিকুল অবস্থা কাটিয়ে ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে ধাবিত হয়। ১৯৯৪ এর দিকে এসে দেশে ব্যপকভাবে বিদুৎতায়নের জোয়ার আসে এবং এরই মধ্যে বিআরবি কেবলস্ উন্নত পণ্য উৎপাদন এবং বাজারজাত করে গ্রাহকদের সেবা নিশ্চিত করায় বাজারে এর চাহিদা বৃদ্ধি পায়। বাজারের চাহিদা পূরণ এবং দেশীয় ও আর্ন্তজাতিক দরপত্রের বিপরীতে মালামাল সরবারহের জন্য প্রয়োজন হয় আরোও কার্যকারী মূলধন, প্রয়োজন হয় কারখানা সম্প্রসারণের ও নতুন মেশিনারী আমদানীর। কিন্তু অগ্রনী ব্যাংক প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করলে ১৯৯৪ সাল থেকে ইসলামী ব্যাংক লিঃ প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় বিনিযয়োগ সুবিধা প্রদানে এগিয়ে আসে। চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন তালিকায় অর্ন্তভূক্তি করতে ১৯৯৬ সালে অত্যাধুনিক মেশিনারী আমদানী পূর্বক কারখানাটি সম্প্রসারণ করা হয়। ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে ২০০০ সালে জাপান, জার্মান, ইতালী, ভারত, বেলজিয়াম, ফান্স, প্রভৃতি দেশ থেকে উন্নত প্রযুক্তি সম্বলিত মেশিনারী আমদানী পূর্বক পূণরায় এর সম্প্রসারণ করা হয় এবং উন্নত মানের ডুয়েল কোটিং সুপার এনামেল্ড কপার ওয়্যার উৎপাদনের নিমিত্তে সুপার এনামেল প্লান্ট স্থাপন করা হয়। বিআরবি কেবলস্ এর গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক মান বজায় রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত ও ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশথেকে যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করে সুসজ্জিত ল্যাবরেটিরি গড়ে তোলা হয়। উন্নতবিশ্বের এ আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে ও দক্ষ কুশলী দ্বারা উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে চালানে হয় পরীক্ষা, ফলে উৎপাদিন পণ্যের মান হয় সুনিশ্চিত। বৈদ্যুতিক কেবলসে সকল ধরনের টেষ্ট সম্পাদনে এ রকমের সুসজ্জিত ল্যাবরেটরী বাংলাদেশে বিআরবি কেবলস্ই প্রথম। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে চাহিদা পূরণে উৎপাদনের ধারাবাহিকতায় ৩৩ কেভী পর্যন্ত পিবিসি/এক্্রএলপিই ইনসুলেটেড হাইভোল্টেজ কেবলস্, ১৩২ পর্যন্ত এলমুনিয়াম কন্ডাক্টর, এফআরএলএস কেবলস্, ইন্সট্রুমেন্টেনশন কেবলস্, জেলি ফিল্ড টেলিফোন কেবলস্, দেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এলমুনিয়াম কন্ডাক্টরের ডোমিষ্ট্রিক কেবলস (কপার কেবলের তুলনায় কত দাম) ইত্যাদি পণ্য আবির্ভুক্তি হয়েছে। বিআরবি কেবলস্ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এ স্থাপন করা হয়েছে C.C.V (Catenary Contineous Vulcanazation) প্লান্ট যাতে নাইট্রোজেন গ্যাস দ্বারা এক্্র্্রএলপি ইন্সেুলেশনকে কিউরিং করা হয়। ফলে এই প্লান্ট থেকে উৎপাদিক কেবল হয় বিদ্যুৎ সঞ্চালনে আরো নিরাপদ। বাজারের চাহিদা পূরণে এর উৎপাদন তালিকায় আরো স্থান পেয়েছে বৈদ্যুতিক সিলিং ফ্যান যা দ্রুতই ক্রেতা সাধারণের সন্তিুষ্টি অর্জন করে বাজারে ব্যপক চাহিদা সৃষ্টি করেছে। GL (Geramanischer Lloyd) Marine Cable Approval Certificate অর্জনের মধ্য দিয়ে বিআরবি কেবলই Marine Cable তৈরির অনুমোদন লাভ করেছে যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। বিআরবি কেবলস্ তার উন্নত গুনগত মানসম্পন্ন পণ্যের জন্য প্রথমতঃ আইএসওঃ৯০০২ সনদপ্রাপ্ত হয়। পরবর্তীতে গবেষনার মাধ্যমে আরোও উন্নয়ন করে আইএসওঃ৯০০১:২০০৮ সনদপ্রাপ্ত হয়ে তদানুযায়ী মান অনুসরণ করছে। বিআরবি কেবলস্ কার উন্নয়নের ধারায় শুধু দেশের মধ্যেই নয়, বহর্বিশ্বেও স্থান করে নিয়েছে। বিশ্ব বাজারে ওয়্যারস এন্ড কেবল সেক্টরের এক গবেষনায় ২০০টি দেশের ৩০০০ এর অধিক প্রতিষ্ঠান কেবল কোম্পানী থেকে নির্বাচিত ৫০ টি শীর্ষ স্থানীয় কোম্পানির মধ্যে বিআরবি কেবলস্ ৩৩তম স্থান লাভ করে বিশ্ব র‌্যাংকিং এ স্থান পেয়েছে। যা বিআরবি কেবলস্ এর বিশাল সাফল্য। ১৯৯০ সালে কিয়াম মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমটেড দেশীয় গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে উৎপাদন কর্মকান্ড শুরু করে। প্রথমদিকে শুধু মেটালিক রান্না সামগ্রী উৎপাদন হলেও ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি প্রেসার কুকার এবং ননষ্টিক পণ্য উৎপাদন করতে শুরু করে। বাংলাদেশের কিয়াম মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজই একমাত্র কোম্পানি যারা আন্তর্জাতিক মানের কুকার সামগ্রী এবং ননষ্টিক পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। উন্নতমান এবং মনোমুগ্ধকর ডিজাইন হবার কারণে এসব পণ্য শুধু দেশেই নয়, বিদেশের গ্রাহকের কাছেও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। কিয়াম মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড সৌদি আরব, দুবাই, নেদারল্যান্ড, ইংল্যান্ড, নাইজেরিয়া, অষ্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে তাদের উৎপাদিত এসব পণ্য সামগ্রী রপ্তানি করছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!