ভোলা প্রতিনিধি : শোষণ মুক্তির চেতনায়, তারুণ্যের স্পর্ধিত উচ্চারণ রুখবো শিক্ষা-বাণিজ্য, সাম্প্রদায়িক-সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন । শিক্ষক সংকট, ক্লাস সংকট, নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা। টাকা যার শিক্ষা তার এই ভিত্তি মানিনা। শিক্ষা হবে একমুখী। এ দাবীতে সোচ্চার বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও গনজাগরন মঞ্চের ¯েøাগান কন্যা লাকি আক্তার। ১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ভোলা টাউন হলে ভোলা জেলা ছাত্র ইউনিয়নের ১৯তম সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি ওইসব কথা বলেন।

তিনি তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিচারকার্যকে স্থবির করে রেখেছে। ফলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অকার্যতভাবে হয়ে পড়ছেন। দেশে কোন হত্যাকান্ডের বিচার হয়না বলেও তিনি অভিযোগ করেন। সরকার কারো সাথে আতাত করছে কিনা সে ব্যাপারে আমাদেরকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি ছাত্রলীগ, ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবিরের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এরা কোন ছাত্র সংগঠনের উপকারে আসেনা। এরা চাদাবাজি, টেন্ডার ও সন্ত্রাসীর মত নানা কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে একটি সংগঠনই আছে যা ১৯৫২ সালে জন্ম হয়ে ছাত্রদের জন্য ৬২ বছর কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ সর্বত্রই সন্ত্রাস চাদাবাজি টেন্ডারবাজিদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর জন্য ভোলা জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সকল ইউনিটকে আহŸান জানান। ভোলা জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রিয়াজ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ,বিশেষ অতিথি লাকি আক্তার সাধারন সম্পাদক,কেন্দ্রীয় সংসদ, কমিউনিষ্ট পার্টির সভাপতি মোবশ্বের উল্লাহ চৌধুরী, এ্যাডঃ সোহেল আহমেদ, প্রেসক্লাব সম্পাদক সামছ উল আলম মিঠু, মোনায়েম চৌধুরী, আরো বক্তব্য রাখেন জুয়েল মজুমদার ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন গোপাল মজুমদার। এর আগে সকালে সারাদিনের কর্মসূচী হিসেবে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আ্যাডঃ এ কে এম শাহাজাহান। লাকী আক্তারের নেতৃত্বে র্যালীটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রদিক্ষন করে । দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলে গোপাল মজুমদার কে সভাপতি ও রিয়াজ হোসেন কে সম্পাদক করে ২৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমির্টি গঠন শেষে শপথ বাক্য পাঠ করান কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক লাকি আক্তার।




