মেহের আমজাদ, মেহেরপুর : মেহেরপুর জেলাতে দুইটি পৌরসভা, তিনটি থানা, আঠারোটি ইউনিয়ন। জেলাটিতে প্রায় প্রতিদিনই মাদক উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করছে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। কিন্ত তারপরেও বন্ধ হচ্ছে না মাদক ব্যবসা বরং বাড়ছে মাদক ব্যবসা ও মাদকসেবীদের সংখ্যা। আর এই ব্যবসাকে কেন্দ্র করেই বাড়ছে অপরাধ, যুবকরা হারােেচ্ছ নৈতিকতা। মেহেরপুর জেলাতে প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, প্রতারনা এমনকি খুন পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে শুধুমাত্র মাদকের ভয়াবহতার জন্য। এ বিপর্যয় থেকে মেহেরপুরবাসীকে পরিত্রাণ দিতে জেলা ও উপজেলাগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে মাদক বিক্রেতা ও মাদকসেবীদের জরিমানা এবং গ্রেফতার করা হলেও কোন ভাবেই তা আয়ত্তে আনা যাচ্ছে না বলে এলাকাবাসী মনে করে। তবে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর সেইভাবে কোনদিনই সক্রিয় নয় বলে সচেতন মানুষেরা মনে করেন। কেননা প্রতিষ্ঠানটিতে কয়েকজন অসাধূ কর্মকর্তা ও কর্মচারী আছেন যারা নগদ নারায়নে বিশ্বাসী বলেই শর্ষের মধ্যে ভুত থেকে যাচ্ছে অনেকেরই সে ধারণা। সীমান্ত ওপার থেকে যে রুট হয়ে মাদক দব্র্য মেহেরপুর পৌছায় সেগুলো হলো বুড়িপোতা ইউনিয়নের কয়েকটি সীমান্তবর্তী গ্রাম, মুজিবনগর সীমান্তের কয়েকটি গ্রাম, কাথুলী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম, কাজীপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম, তেতুলবাড়ি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম এছাড়াও মেহেরপুর শহরের বেশ কয়েকটি স্পটে মাদকের বেচাকেনা হয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদকসেবী এই প্রতিবেদককে জানান। এ বিষয়ে মেহেরপুরের সাধারন মানুষ মনে করেন পুলিশ প্রশাসন কিছুটা ভিন্ন কৌশলে মাদক বিরোধী অভিযান চালালে মাদক ব্যবসায়ীরা অবশ্যই গ্রেফতার হবে। নেমে আসবে মেহেরপুরে অতীতের মত শান্তি।
মেহেরপুরে স্বাস্থ সম্মত পায়খানার ব্যবহার ও হাত ধোয়া বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে স্বাস্থ সম্মত পায়খানার ব্যবহার ও তার পরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া বিষয়ে মেহেরপুরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বুধবার বেলা ১১ টার দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার দীঘিরপাড়া গ্রামে আশা এনজিও’র সোনালী ভ‚মিহীন মহিলা সমিতির সদস্যদের মাঝে স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানার ব্যবহার বিষয়ক আলোচনা করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মেহেরপুর সদর উপজেলা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার বিজন কুমার সরকার, লোন অফিসার ইলিয়াস হোসেন প্রমুখ।
গাংনী ডিগ্রী কলেজে শিক্ষক- ছাত্রলীগ বাকবিতন্ডা ভাঙচুর
মেহেরপুরের গাংনী ডিগ্রী কলেজে শিক্ষক ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় উত্তেজিত হয়ে কলেজ ভাঙচুর করেছেন ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা।
গতকাল বুধবার দুপুরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
গাংনী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম জানান,ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে কলেজের আসবাবপত্র, জানালার গøাস ভাঙচুর ও অফিসের কাগজ পত্র তছনছ করেছে।
ভাঙচুর চলাকালীন সময়ে কলেজের কয়েকজন শিক্ষক একটি রুমে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
এদিকে ভাঙচুরের কথা অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলন করেছে গাংনী উপজেলা ছাত্রলীগ।
গাংনী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসন রাজা সেন্টু সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, গাংনী ডিগ্রী কলেজে ছাত্রলীগের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচী ছিল। কর্মসূচী পালনের লক্ষে নেতা-কর্মীরা একত্রিত হওয়ার পর কলেজের কয়েকজন শিক্ষক কর্মচারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নামে কুটক্তি করছিলেন। উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন প্রতিবাদ করলে শিক্ষক কর্মচারীরা ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের উপর হামলা চালায়। এ সময় ছাত্রলীগ কর্মী তুহিন,নাহিদ,কামরুল,সাজ্জাদ ও আফফার আহত হয়। ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার সময় মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে উপজেলা ছাত্রলীগ।
গাংনী ডিগ্রী কলেজের সভাপতি সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন জানান,ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে ভাঙচুর ও নৈরাজ্য করতে দেয়া হবে না। নৈরাজ্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারী দেন তিনি
এদিকে ঘটনায় উভয় প্ক্ষ মামলার প্রস্তুুতি নিচ্ছিলেন।
গাংনী থানার ওসি মাসুদুল আলম জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। মামলা হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গাংনীর হাড়িয়াদহে তাফসীর মাহফিল অনুষ্ঠিত

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ গ্রামের উত্তরপাড়ায় তাফসীর মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রাতে হাজী আক্কাছ আলী মাষ্টারের সভাপতিত্বে তাফসীর মাহফিলের প্রধান মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বগুড়া থেকে আগত হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আমির হোসেন আজাদী। দ্বিতীয় মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হাড়িয়াদহ উত্তরপাড়া জামে মসজিদের ইমাম হযরত মাওলানা মুহাম্মদ মকরেমুল হক। এছাড়াও স্থানীয় ওলামায়েকেরামগণ মাহফিলে বক্তব্য রাখেন।




