মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : দলিল, খাজনা, খারিজ ও দখল সবই আছে। কিন্তুু অপর ব্যক্তি যখন ওই জমি নিজের বলে রাতারাতি আরেক জনের কাছে বিক্রির কথায় ২ লক্ষ টাকা বায়না গ্রহণ করলেন তখন হতভম্ব জমির আসল মালিক। এ সময় জমির সহজ-সরল মালিকের উক্তি ছিল, ‘এটাও কি সম্ভব!’ নওগাঁর মহাদেবপুরের কুখ্যাত ভূমিদস্যু চক্রের জাল-জালিয়াতিতে এভাবেই পথে বসতে চলেছিলেন উপজেলা সদরের মৃত জান মোহাম্মদের পুত্র বৃদ্ধ শেখ আব্দুল জলিল এবং তার পরিবার-পরিজন। আব্দুল জলিল অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও এ চক্রের চক্রান্তে উপজেলার অনেকেই ভিটেমাটি হারিয়ে পথে বসেছেন বলে বহু অভিযোগ রয়েছে। জমির মালিক এ ব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। এখানে এখন মূর্তিমান এক আতঙ্কের নাম ভূমিদস্যু লিডার উপজেলার নাটশাল গোপালপুর গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের পুত্র ইব্রাহিম হোসেন। জানা গেছে, উপজেলা সদরের মৃত জান মোহাম্মদের পুত্র শেখ আব্দুল জলিলের মহাদেবপুর মৌজার ৩০নং খতিয়ানে ৩২৯ দাগের ৭ শতক জমি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রির চেষ্টা করেন ইব্রাহিম হোসেন। শেখ আব্দুল জলিলের ভোগদখলীয় ওই ৭ শতক জমি ইব্রাহিম হোসেন নিজের দাবী করে সদরের কলেজ পাড়ার মৃত সুজিত কুমার ব্যাণার্জির পুত্র সুজয় কুমার ব্যাণার্জির কাছে বিক্রির উদ্দেশ্যে ১৩ লক্ষ টাকা চুক্তি করে ২লক্ষ টাকা বায়না গ্রহণ করেন। এ জন্য সুজয় কুমারকে লিখিত বায়নানামা করে দেন ভূমিদস্যু ইব্রাহিম হোসেন। বিষয়টি জানার পর ইব্রাহিম হোসেনকে জমির বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ইব্রাহিম হোসেন বৃদ্ধ আব্দুল জলিলকে নানা ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেয়। এরই মধ্যে আব্দুল জলিলের পুত্র শেখ সাজ্জাদুল ইসলাম বাবু তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে গার্লস স্কুল মোড়ে তার পথরোধ করে দু’জন ব্যক্তি ওই জমি নিয়ে বেশী বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেয় এবং তাদের কথামত কাজ না করলে বোমা মেরে তার পুরো পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়। এতে পরিবারটি চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। থানার অফিসার ইনচার্জ এনায়েত উদ্দিন এসব ব্যাপারে অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেন




