ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি : ধামইরহাটে দীর্ঘ ৮/১০ দিন ধরে উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎতের ভয়াবহ লোডশোডিং দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি চৈত্রের খরতাপ ও প্রবল খরার ফলে ক্ষেত খামারে কৃষক ব্যবসায়ীমহল পড়েছে চরম বিপাকে। লোডশেডিং এর ফলে এলাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থ্যা অনেকটা ভেঙে পড়েছে। দিনে ও রাতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৭/৮ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকেনা। ফলে ইরি বোরো উচুঁ শ্রেণীর ধান ক্ষেত পানির অভাবে শুকিয়ে মরতে শুরু করছে। তাছাড়া গৃহস্থালী কাজকর্ম, আলিম ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীগণ বিদ্যুতের অভাবে লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুতের এই দূরহ অবস্থায় কৃষককুল ও ব্যবসায়ী অনেকটা হতাশায় দিনাতিপাত করছে। এ দিকে এ বরেন্দ্র অঞ্চলের কঠিন ও শক্ত লালচে মাটি তাতিয়ে উঠেছে ফলে এলাকার খাল, বিল, নদী, নালা শুকিয়ে খাঁ খাঁ করছে। উল্লেখ্য যে, চলতি বোরো মওসুমে এ অত্র উপজেলায় প্রায় ১৮ হাজার ৭শত ৭০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করাল লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ড.মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, চলতি বোরো মওসুমে এ উপজেলা এবার ১৭ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে উফশী ও ১ হাজার ৫শত হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধান চাষ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ চালিত ৩৫৭ টি গভীর নলকূপের মাধ্যমে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কৃষকদের মাঝে বোরো ধানের জন্য সেচ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। বিদ্যুতের এ অবস্থা চলতে থাকলে এ উপজেলায় এবার ইরি বোরো ধান চাষে লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হতে পারে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন।
ধামইরহাটে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ধামইরহাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে গতকাল বেলা ১১ টায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে ইউএনও হেমায়েত উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ দেলদার হোসেন ক্যাম্পেইনের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডাঃ মোহাম্মদ আলী, আরএমও সাজেদুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার তাপস রায়, যুব উন্নয়ন অফিসার মোখলেছুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি এম এ মালেক, সাংবাদিক আবুমুছা স্বপন প্রমুখ। স্বাস্থ্য প্রশাসক মোহাম্মদ আলী জানান, ৫ এপ্রিল উপজেলার ২০৩টি কেন্দ্রে একযোগে ৬ মাস থেকে ১১ মাস পর্যন্ত ২ হাজার ৪৮০ জন শিশুকে এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের ১৮ হাজার ৪৬০ জন শিশুকে টিকা খাওয়ানো হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের ২৪ জন সুপারভাইজার ও ৬০৯ জন কর্মচারী স্বেচ্ছাসেবক শিশুদের টিকা খাওয়াবেন।
অপরদিকে একই দিনে সকাল ১০ টায় কমিউনিটি ক্লিনিক প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্য সিএইচসিপিদের ২৪টি ল্যাপটপ প্রদান করা হয়েছে।




