আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও ব্যালট পেপারে সিল মারার অভিযোগে ৭ টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহন স্থগিত করা হয়েছে। বেলা ১১ টার দিকে কলাগাছিয়া কে এইচ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ঘটখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং ও পুলিং অফিসাররা ভোটের সকল উপকরণ আমতলীর সহকারী রিটানিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন।

আমতলীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, নির্বাচন কমিশন থেকে তাকে ৭ টি কেন্দ্রের তালিকা পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমতলীর সহকারী রিটার্নিং অফিসার জানান, বেলা ১১ টার দিকে দুটো কেন্দ্রের নির্বাচনী উপকরণ ফেরত এসেছে। বাকী কেন্দ্রগুলোতে ম্যাজিষ্ট্রেট পাঠানো হয়েছে। এসব কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা পরে জানানো যাবে।কেন্দ্রগুলো হল ৬ নং গুলিশাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ভোটার-২,৭৬১), ৭ নং উত্তর পূর্ব কলাগাছিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় (ভোটার-১,৬৮৯), ৮ নং কলাগাছিয়া কে.এইচ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় (ভোটার-২,০২৬), ৯ নং আঙ্গুলকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ভোটার-১, ৮০৫), ১০ নং খেকুয়ানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ভোটার-১, ৯০২), গেরাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (ভোটার-১,৮৩৮), ৩৯ নং ঘটখালী সরকারি প্রাথমিক (ভোটার-৩,০৩৩)
আমতলী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৬ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রতিদ্দ্বন্দ্বিতা করছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫ জন অভিযোগ করেছেন, আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্র্থীর লোকজন রবিবার রাতে প্রিজাইডিং অফিসারকে জিম্মি করে ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে সিল মেরে বাক্স বোঝাই করেছেন। কলাগাছিয়া কে এইচ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সঞ্জয় কুমার সাহা ও ঘটখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আ.স.ম সাইদুর রহমান জোর পূর্বক ব্যালট পেপারে সিল মারার কথা স্বীকার করেছেন।

সরকার দলীয়দের কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট প্রদান, এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে আমতলী উপজেলায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি দলীয় প্রার্থী ও , বিদ্রোহী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। সোমবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে তারা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।




