চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিনের নিজ জেলা চুয়াডাঙ্গায় আবারও সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এব্যাপারে বিএনপি জামায়াতের সমর্থিত পার্থীরা বার বার প্রশাসনকে অবহিত করাসহ সাংবাদিক সন্মেলন করে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কমনা করে ব্যর্থ হওয়ায় আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া চুয়াডাঙ্গার বাকী ২ উপজেলা নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠার শেষ নেই সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের মাঝে।

এবিষয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুল কাউনাইন টিলু (দোয়াত কলম ) বৃহ¯পতিবার রাত ৮ টায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, আমার কর্মী ও ভোটারদের বিভিন্ন বাজারে, চায়ের দোকানে ও বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সরকার দলীয় ক্যাডাররা। তারা বিভিন্ন স্থানে আমার প্রতীক সম্বলিত পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলছে এবং প্রচারণায় সরাসরি বাধা প্রদান করছে, যা নির্বাচনী আইন-লঙ্ঘনের শামিল।
তিনি আরো বলেন, তার পোলিং এজেন্টেদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকি প্রদান করা হচ্ছে। আলমডাঙ্গা উপজেলায় মোট ১০৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৭টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী টিলু। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আমাদের কর্মীদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য অব্যাহত ভাবে হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে।
এছাড়া তিনি আরো জানান, এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে রিটার্নিং, সহরিটার্নিং অফিসার, পুলিশ সুপার, র্যাব, সেনাবাহিনীসহ প্রশাসনের সকল পর্যায়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বারবার আবেদন করেও কোন প্রতিকার পায়নি।
তিনি আগামী ৩১ মার্চ নির্বাচনের দিন ২৭টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসহ সকল কেন্দ্রে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার জন্য আহŸান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম স¤পাদক ওয়াহিদুজ্জামান বুলা, প্রমুখ।
উলেখ্য, নির্বাচন কমিশনারের এই জেলার ৪ টি উপজেলার মধ্যে গত ১৫ মার্চ দামুড়হুদা উপজেলা ও ২৩ মার্চ জীবননগর উপজেলা নির্বাচন হয়েছে ভোট ডাকাতি, কেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ভাংচুর অগ্নিসংযোগসহ অসখ্য অনিয়মের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে।




