মো. গোলাম রব্বানী, পাইকগাছা (খুলনা) : খুলনার পাইকগাছায় এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করে পালানোর সময় পুলিশ ৩ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে। আহত ব্যবসায়ীকে আশংকাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কাটাখালী সড়কে। থানা পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, ঘটনারদিন উপজেলার মাহমুদকাটী গ্রামের নারান চন্দ্রের দু’পুত্র কৃষ্ণপদ দাশ ও সুদেব কুমার দাশ, আমাদি ও বড়দল এলাকা থেকে খাদ্যসামগ্রি বিক্রয়শেষে নছিমনযোগে ফিরে আসার সময় চাঁদখালী ইউনিয়নের শিববাটি ও কাটাখালী সড়কের মধ্যবর্তীস্থানে পৌছানোর পর পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা ৬ ছিনতাইকারী তাদেরকে গতিরোধ করে ছুরিকাঘাত করে কাছে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন আশংকাজনক অবস্থায় ব্যবসায়ী কৃষ্ণপদ দাশকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এদিকে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ব্যবহৃত মটরসাইকেল অকেজো হয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে ধরে ফেলে। পরে খবর পেয়ে থানার এসআই সিরাজুল ও এসআই জালাল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে শ্যামনগর গ্রামের মৃত আনছার গাজীর পুত্র বদরুল, মাহমুদকাটি গ্রামের হযরত গাজীর পুত্র নসিমন চালক রাসেল গাজী ও গদাইপুর গ্রামের ইনতাজ গাজীর পুত্র মনি গাজীসহ ৩ ছিনতাইকারীকে আটক করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত টিভিএস ১০০ সিসি মটরসাইকেল এবং ছিনতাই হওয়া ৫ হাজার ৩১৬ টাকা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় সুদেব কুমার দাশ বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামী করে দ্রুত বিচার আইনে থানায় মামলা করেছে বলে এসআই আব্দুল খালেক জানান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গ্রেফতার অভিযান অব্যহত ছিল।
পাইকগাছায় এমপি নূরুল হকের ক্ষমতাগ্রহনের পর গুরুত্বপূর্ণ দু’দপ্তর ভারপ্রাপ্ত মুক্ত
পাইকগাছা-কয়রার এমপি এ্যাড. শেখ মোঃ নূরুল হক ক্ষমতাগ্রহনের পর হতে ভারপ্রাপ্তমুক্ত হতে শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর। ইতোমধ্যে গত একমাসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পদে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যোগদান করায় দীর্ঘদিন পর ভারপ্রাপ্ত মুক্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ এ দু’টি দপ্তর। উলেখ্য ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হতে গত টানা ৫ বছর সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এসএম শহীদুলাহ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পদে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

অপরদিকে প্রায় গত ৪ বছর যাবৎ সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটি শূন্য থাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ গুরুত্বপূর্ণ এ পদটি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ দু’টি দপ্তরের পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রম। চরম ভোগান্তি পেতে হয় সাধারণ মানুষকে। অবশেষে চলতি বছর ৫ জানুয়ারী ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাইকগাছা-কয়রার রুপকার হিসেবে খ্যাত এ্যাড. শেখ মোঃ নূরুল হক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর গত ২৩ ফেব্রুয়ারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসাবে যোগদান করেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেছেন এএসএম রাসেল। দীর্ঘদিন পর হলেও গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরদুটি ভারপ্রাপ্ত মুক্ত হওয়ায় একদিকে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। অপরদিকে কাঙ্খিত সেবা পেতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। এ দু’টি দপ্তরের মত যেসব দপ্তর ও প্রতিষ্ঠান এখনও পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্ব দিয়ে চলছে সেসব প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্যপদ পূরনে স্থানীয় এমপি’র হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।
পাইকগাছায় এমপি নূরুল হকের সাথে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ
খুলনার পাইকগাছায় এমপি এ্যাড. শেখ মোঃ নূরুল হকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপি’র উপদেষ্ঠা এ্যাড. স.ম বাবর আলী। তিনি বুধবার সন্ধ্যায় এমপি’র পৌরসভাস্থ নিজস্ব বাসভবনে এ সাক্ষাৎ করেন। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে দু’নেতা প্রায় ঘন্টাব্যাপী মতবিনিময় করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গী, পৌর সভাপতি অবঃ অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান, এমপি পুত্র শেখ মনিরুল ইসলাম, শেখ কামরুল হাসান টিপু, সাবেক অধ্যক্ষ (ভারঃ) রমেন্দ্র নাথ সরকার, শেখ সেলিম, বিএনপি নেতা হারুন গোলদার, ছাত্রনেতা দিপংকর মন্ডল, আল ইদ্রিস, শেখ তুহিন, আসিফ ইকবল রনি।




