ads

রবিবার , ২৩ মার্চ ২০১৪ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আত্রাইয়ে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদের দিন কাটে আনাহারে-অর্ধাহারে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মার্চ ২৩, ২০১৪ ১:২৭ অপরাহ্ণ

Atrai News Picture of Freedom Fighter 23-03-2014তাপস কুমার, আত্রাই (নওগাঁ) : বিজয় অর্জনের কেটে গেছে ৪৩টি বছর। বাংলার মানচিত্রে লাল-সবুজ অর্জিত পাতাকাকে ছিনিয়ে আনার জন্য পরিবার-পরিজন ত্যাগ করে, নিজের জীবন বিপন্ন করে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন স্বাধীনতার সংগ্রামে তারা এ প্রজন্মের কাছে শুধুই মুক্তিযোদ্ধা নামে পরিচিত।
এদের অনেকেই অবহেলিত, অনাদ্রিত, উপেক্ষিত। জীবন সংগ্রামে পর্যুদস্ত তারা। স্বাধীন বাংলার এই প্রজন্মের অধিকাংশই তাদের খোঁজ-খবর রাখে না। বিশেষ কোন দিন এলে স্মৃতির পিঞ্জল থেকে হয়তো এ কারণেই এসব অবহেলিত সম্মানীত মুক্তিযোদ্ধাদের চোখ থেকে বের হয়ে আসে ক্ষোভ-দুঃখ মিশ্রিত দু’ফোঁটা তপ্ত অশ্রæ। এ রকম একজন অবহেলিত বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম মোঃ আব্দুস সালাম (৬৪)।
আত্রাই উপজেলার পাঁচুপুর ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ গ্রামে এ গর্বিত সন্তানের জন্ম। বোধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের চেতনার সঙ্গে নিজেকে বিলীন করে দেয়ার এবং সেই সঙ্গে পরাধীন বাংলাকে শৃঙ্খল মুক্ত করবার সুযোগ লালন করেছিলেন মনে মনে।
১৯৭১ সালে বাংলার অগ্নিপুরুষ বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বেতারে শুনে আর ঠিক থাকতে পারেননি। পরিবারের কাউকে না জানিয়ে স্থানীয় কয়েকজন যুবক আত্রাইয়ে ৭ নং সেক্টরে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ওহিদুর রহমানের অধিনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। বয়সের ভারে নুয়ে পড়া এই দামাল সন্তান স্মৃতি হাতড়ে দিন মনে করতে না পারলেও পাকবাহিনীর সাথে তাঁর সন্মুখ যুদ্ধের এক ভয়াবহ চিত্র এ প্রতিবেদকের সামনে তুলে ধরেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুস সামাদ আরও জানান, নিজের বসত বাড়ী হারিয়ে তিনি আজ নিঃস্ব। অন্যের দেয়া পরিত্যক্ত একটি বাড়ীতে স্ত্রী ও এক ছেলে নিয়ে বসবাস করছেন। শরীরে দানা বেঁধেছে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি। তাঁর স্ত্রী রেহেনা বেগম (৫০) প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে হাত-পা অবশ হয়ে গেছে। কথা বলতে সমস্যা হয়। কষ্ট হয় শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও। আব্দুস সামাদ টেম্পু ষ্টেন্ডে দিন মজুরের কাজ করে ও মুক্তিযোদ্ধার মাসিক সম্মানী ভাতা দিয়ে কোন রকমে এক বেলা, আধা বেলে খেয়ে, না খেয়ে কষ্টে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এতো কষ্টের মধ্যে থেকেও নিজের ছেলেকে লেখা-পড়া শিখিয়েছেন তিনি।
দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে প্রতিনিধি কে নিজস্ব পরিচয় পত্র যার মুক্তি বার্তা নং-০৩০৫০২০০৮৮ দেখিয়ে বলেন, এটিই আমার অহংকার। মরণের আগে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি যদি দেখে যেতে পারতাম, তাহলে আমার মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন সার্থক বলে মনে করতাম।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!