ads

বৃহস্পতিবার , ২৭ মার্চ ২০১৪ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে তালা : রাজারহাটে ইউএনও’র অনুষ্ঠান বর্জন করেছে ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মার্চ ২৭, ২০১৪ ৬:১৮ অপরাহ্ণ
মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ে তালা : রাজারহাটে ইউএনও’র অনুষ্ঠান বর্জন করেছে ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৪৩-তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠান বর্জন করেছে ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ দিকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বসতে না পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি রাজারহাট উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ তাদের ৪২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উপজেলা প্রশাসনের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে অনুষ্ঠানসহ সকল প্রোগ্রাম বর্জন করে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচী পালন করেছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও হরিশ্বর তালুক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল লতিফ মোল­া বলেন, রাজারহাট কারিগরি বাণিজ্যিক কলেজের অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সরকারকে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের ৭টি কমিটিতে আহŸায়ক সহ মোট ১১টি কমিটিতে কর্তৃত্ব দেয়া হয়েছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্য মুলক আচরণ ও ধমক দিয়ে বিভিন্ন ধরনের অশালীন কথা-বার্তা বলায় তারা উপজেলা প্রশাসনের সকল অনুষ্ঠান বর্জন করে তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে জাতীয় কর্মসূচী পালন করেছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতে উক্ত অধ্যক্ষ বির্তকিত কার্যক্রম করে এলেও এবারেও তাকে অনুষ্ঠান উদ্যাপনের বিভিন্ন কমিটিতে রাখায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। কুচকাওয়াজ-ডিসপ্লে, চিত্রাংকন, কবিতা আবৃত্তি সহ বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাদ দিয়ে আবুল হোসেন সরকার তার নিজের পছন্দের মনগড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সিলেকশন করে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে উত্তীর্ণ করে পুরস্কৃত করেন। এমনকি বিচারকের আসনে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নামী-দামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বাদ দিয়ে তার সুপারিশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বির্তকিত ব্যক্তিদের দিয়ে প্রকৃত প্রতিষ্ঠানকে পাশ কাটিয়ে পরবর্তীতে ঘরে বসে পছন্দের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সিলেকশন করার অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চঞ্চল কুমার ভৌমিককে এসব ব্যাপারে অবগত করেও কোন লাভ হয়নি বলে জানিয়েছেন। অপরদিকে ইউএনও’র কাছে রাজারহাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়ের চাবি থাকায় সঠিক সময়ে ওই কার্যালয় বন্ধ থাকায় মুক্তিযোদ্ধারা তাদের কার্যালয়ে তারা বসতে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানসহ উক্ত বির্তকিত অধ্যক্ষ নিজের খেয়াল-খুশিমত মুক্তিযোদ্ধাদের সুকৌশলে হেয় করার প্রয়াস চালিয়েছেন। তারা আরও বলেন মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার দোহাই দিয়ে মোটা অংকের চাঁদাবাজি হলেও অদ্যাবধি তার কোন হিসাব কোনদিনই উপস্থাপন করা হয়নি। এসব বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম. মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা ও শিক্ষক নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে তাঁকে কোন অভিযোগ করেননি এবং বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চঞ্চল কুমার ভৌমিক বলেন, কমিটি করা নিয়ে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন এবং এসব ব্যাপার নিয়ে আমার করার কি আছে। কমিটির করার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিষয়।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!