ads

রবিবার , ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রাজারহাটে নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে গিয়ে দু’কর্মচারী অপহরণ মুক্তিপন বাবদ ৩ লাখ টাকা দাবী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৪ ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
রাজারহাটে নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে গিয়ে দু’কর্মচারী অপহরণ মুক্তিপন বাবদ ৩ লাখ টাকা দাবী

Rajarhat News Pic-16-02-14রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে আসন্ন ২৭ ফেব্রুয়ারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী ও সদর ইউপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ এনামুল হক (আনারস) প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের দু’কর্মচারী অপহরন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শনিবার রাজারহাট থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে। তাদের দু’জনকে মুক্তিপণ বাবদ ৩ লাখ টাকার চাঁদা দাবী করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজারহাট সদর ইউপি’র দু’কর্মচারী মোঃ শাহজাহান (৩০) অফিস সহকারী ও শ্রী লিটন চন্দ্র রায় (২৬) তথ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিল। গত শুক্রবার ওই ইউপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী মোঃ এনামুল হকের (আনারস) প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউপি’র চায়না বাজার নামক স্থানে রাত ১০ ঘটিকার সময় থেকে তারা দু’জন নিখোঁজ হন। পরে শনিবার হঠাৎ করে কয়েকটি অজ্ঞাত মোবাইল নম্বর থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ এনামুল হকের মোবাইল নম্বর ০১৭১২৫১০৫৭৮ নম্বরে ফোন আসে এবং তাদের দু’জনকে অপহরণ করা হয়েছে মর্মে মুক্তিপণ বাবদ ৩ লাখ টাকার চাঁদা দাবী করে। সে মোতাবেক অপহরণকারীদের একটি বিকাশ নম্বরে ৫০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে তাদের কোন আশ্বাস না পাওয়ায় নিরুপায় হয়ে শনিবার রাতে রাজারহাট থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম হাসান সরদার-এর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, এই মহুর্তে তদন্তের স্বার্থে জিডি নম্বর ও মোবাইল ফোনের নম্বরগুলো দেয়া যাচ্ছে না। তবে শীঘ্রই অপহরণকারীদের সনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের জানান। সদর ইউপি’র বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী মোঃ এনামুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খুবই টেনশনে আছি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের এক পর্যায়ে নগদ ৫০ হাজার টাকা একটি বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে এবং এই মহুর্তে বিকাশ নম্বরটি গণমাধ্যম কর্মীদের দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!