ads

রবিবার , ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মোটা তাজা করা হচ্ছে ২ হাজার গরু : রাজারহাটের গ্রামাঞ্চলের গরুপালনে স্বচ্ছলতা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৪ ৭:৪৮ অপরাহ্ণ

Rajarhat Pic-08-02-14মাহফুজার রহমান মনু, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে গরু মোটাতাজা করণ স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে অনেক পরিবার। উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউপি’র চর তৈয়বখাঁ গ্রামের গরু মোটা তাজা করে নিজের জীবনে স্বচ্ছলতা এনেছেন সফিকুল ইসলাম। গরু মোটা তাজা করণ করে অর্জিত টাকা দিয়ে নিজের বাড়িতে গড়েছেন পাকা দালান। গরুর জন্যও বানিয়েছেন ইট-কংক্রিটের গোয়াল ঘর। শফিকুল ইসলাম এখন একজ সফল উদ্যোক্তার নাম। তিস্তার চরাঞ্চলে এখন শফিকুলের মতো শত শত পরিবার গরু মোটা তাজা করণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে েিজদের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছেন। এর ফলে ওই গ্রামাগুলোতে দরিদ্র লোকের সংখ্যা কমে আসছে। বাড়ছে মানুষের উপার্জন ক্ষমতা। উন্নত হচ্ছে জীবন যাত্রার মান। এমনকি বহুমূখী কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে রাজারহাটের এসব এলাকায়। আবার কেউ শূন্য থেকে লাখপতি হচ্ছেন গরু পালন করে।  অভাবের সংসারে কীভাবে সফলতা এলো এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ক্ষুদ্র ভাবে ব্যবসা করে আসতে আসতে চলতে থাকলেও ভাগ্য সেভাবে বদল হয়নি। এখন ব্যবসা ছেড়ে শফিকুল ইসলাম গরু পালন শুরু করেন। এটাও ২০০০ সালের কথা। এরপর তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। দিন দিন বাড়তে থাকে তার গরু পালনের চাহিদা এবং আসতে থাকে বাড়তি আয়। এভাবে গরু মোটা তাজা করনে লাভের টাকায় চলছে সন্তানের লেখা পড়াসহ সংসারের খরচ। সব মিলিয়ে এখন বেশ ভাল যাচ্ছে শফিকুলের দিন। শফিকুল জানান, ১৪ বছরে অন্তত ৮০টি গরু মোটা তাজা করে বিক্রি করেন প্রায় ২০ লাখ টাকা। উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হওয়ার পেছনে স্ত্রীর ভূমিকা কে বড় করে দেখেন তিনি। গরু বিক্রি লাভের টাকা দিয়ে শফিকুল ২/৩ একর জমিতে আলু চাষ ব্যাপক লাভবান হয়েছেন। এ ব্যবসায় তার বিনিয়োগ করা ১০ লাখ টাকা এখন ৩০ লাখ টাকায় রুপান্তরিত হয়েছে। বর্তমান শফিকুলের সংসারে কোন অভাব অনটন নেই। ওই এলাকা জুড়ে গরু পালন করে সফল হয়েছেন চরের রফিকুল, মান্নান, আবু সামাসহ আরও অনেকে। এভাবেই রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে গরু পালনের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। রাজারহাট উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা রহমাত আলী জানান, গরু মোটা তাজা করণ প্রকল্পে এলাকায় আমাদের দপ্তর থেকে সহযোগীতা করা হয়। কম খরচে কিভাবে গরু পালন করে লাভবান হওয়া যায় সে সম্পর্কে আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি। কর্মকর্তার হিসেব মতে উপজেলায় ২ হাজার গরু মোটা তাজা করণ করা হচ্ছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!