জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার যুবদল নেতা সুজন হত্যা মামলায় আ’লীগের ৪০জনকে আসামী করা হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারী নিহত যুবদল নেতার পিতা মাহবুবুল আলম চাঁন খা বাদি হয়ে সরিষাবাড়ি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় ভাটারা ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন বাদল প্রধান আসামী। বোরহান ভাটারা গ্রামের গুলু মাহমুদের ছেলে বলে জানাগেছে। অন্যান্য আসামীরা হলেন সুলতান মাহমুদ, এরশাদ, শাহিন, শামীম, সুজন গেনা, ইসমাইল,হারুন,আলাল,সরওয়ার্দী, আসাদ, আলাউদ্দিন, সরুজ, হাকিম, মুক্তা, টুন্ডাশাহিন, হুমায়ুন, রন্জু, বিপুল, কালাম, রফিক, ওয়াজেদ, মনজুরুল হক, সুমের আলী, আলমসহ অজ্ঞাত ১৫জনকে আসামী করা হয়।
নিহতের পরিবার জানিয়েছে, গত রোববার ২ ফেব্রুয়ারি যুবদল কার্যালয়ে কর্মী সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরছিল। ওই দিন বাউসি বাজারে উপজেলা আ’লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী গণসংযোগ চলছিল। এ সময় আ’লীগের ক্যাডাররা সুজন খাঁনকে একা পেয়ে তাকে কুপিয়ে ক্ষত: শেষে হাত-পা বেধেঁ মোটর সাইকেলের পিছনে বেধে টেনে হিচড়ে উল্লাস করে। এতেই শেষ নয় ক্যাডাররা ধোপাদহ জামে মসজিদের সামনে মেইন রোডে হাত-পা ভেঙ্গে ও পায়ের রগ কেটে মৃত ভেবে চলে যায়।
মুমূর্ষু অবস্থায় আহত সুজনকে প্রথমে জামালপুর পরে ময়মনসিংহ হাসপাতালে নিলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন । এ ঘটনার পর থেকেই অপরাধীরা গা ঢাকা দিয়েছে। সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে এম কামরুল আহসান-জানান আসামীদের গ্রেফতার চেষ্টা চলছে।




