শ্যামলবাংলা স্পোর্টস : এ যেন নতুন এক ফেদেরার। ‘বুড়ো তারকা’ হিসেবে ইতোমধ্যেই টেনিস বিশ্বে বিশেষায়িত হওয়া এই সুইস তারকা ৩২ বছর বয়সে এসে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে যা খেলছেন, তাতে অবাক সবাই। তবে কি স্টিফেন এডবার্গকে মেনটর বানিয়ে একেবারেই বদলে গেলেন তিনি! এই তো কিছুদিন আগেও ‘ফেদেরার আর গ্র্যান্ডস্লাম জিতবে কি না সন্দেহ’ এমন মন্তব্য করে বসেছেন যাঁরা, তারা মেলবোর্নের কোর্টে তাঁর খেলা দেখে লজ্জায় মুখ লুকানোর জায়গা খুঁজছেন। অসাধারণ খেলে ফরাসি ১০ নম্বর তারকা জো উইলফ্রেড সোঙ্গাকে হারিয়ে তিনি এখন কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে, এমন পারফরম্যান্সের পরও ফেদেরারকে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে হবে অ্যান্ডি মারের সঙ্গে। ফেদেরার-ভক্তদের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ড্র-র ব্যাপারে শ্রদ্ধা উঠে গেলে, তাঁদের খুব দোষ দেওয়া যায় না।

সোঙ্গার সঙ্গে ঠিক আগের ফেদেরারকেই দেখা গেল। সেই সার্ভ ও ভলির মিশেল। সেই ভয়ঙ্কর ব্যাকহ্যান্ড। আক্রমণ করলেন আগের মতোই। পরপর কয়েকটি ড্রপ শট খেলে একটা গেমও জিতলেন। সার্ভ ধরে রাখা, ভাঙা- সবই দেখা গেল দুরন্ত। ফেদেরারের এমন সাবলীল খেলা দেখে অনেকেই বলাবলি করেছেন, অ্যান্ডি মারে আদৌ ফেদেরারের সঙ্গে পেরে উঠবেন কি না। তবে প্রতিপক্ষের প্রতি শ্রদ্ধাটা এই কানাঘুষাতেও কমেনি ফেদেরারের। বলেছেন, মারের সঙ্গে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা যথেষ্টই ঝাঁঝালো হবে।
এদিকে মারের কণ্ঠেও ফেদেরারের প্রতি সম্মানটা অটুট রয়েছে। এক সংবাদ সম্মেলনে তাঁকে এই ফেদেরার আর কয়েক বছর আগের ফেদেরারের মধ্যে তুলনা করতে বলা হলে তিনি কেবল বললেন, বছর তিনেক আগের ফেদেরার বছরে ৩ টি ম্যাচ হারত, এখন ৫ টি হারে। পার্থক্য কেবল এতটুকুই।




