ads

সোমবার , ৩০ ডিসেম্বর ২০১৩ | ২৩শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মহম্মদপুরে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী রেখে চলে গেলেন বর

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৩ ৩:২৬ অপরাহ্ণ
মহম্মদপুরে যৌতুক না  পেয়ে স্ত্রী রেখে চলে গেলেন বর

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ। শেষ হয়ে গেছে বরযাত্রীদের আপ্যায়ন। এবার বর পক্ষ যৌতুকের টাকার পরিমাণ নির্ধারণের জন্য বসলেন আলোচনায়। কনের পিতার কাছে নগদ এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে বর ও তার লোকজন। দরিদ্র্য পিতার পক্ষে এতো টাকা দেওয়া সম্ভব না হওয়ায় কনে রেখেই চলে যায় বরযাত্রীরা।  ২৮ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পাল­া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, উপজেলার পাল­া গ্রামের ফরিদ শেখের মেয়ের সাথে পাশ্ববর্ত্তী ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার চরনারানদিয়া গ্রামের আফসার উদ্দিন মোল্যার ছেলে সোহাগের সাথে উভয় পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের তারিখ নির্ধারণ  হয়।  ঘটনার দিন রাতে প্রায় ষাটজন বরযাত্রি আসে মেয়ের বাড়িতে। যাত্রিদের আপ্যায়নসহ বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এরপর বর ও তার লোকজন যৌতুকের জন্য বেকে বসে। বর সোহাগ মেয়ের বাবার কাছে একলাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। মেয়ের বাবা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে কৃষি কাজ করে কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করেন। তিনি ধার করে নগদ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। বাকি টাকা তিনি কয়েকটি কিস্তিতে পরিশোধ করবেন বলে তাদের জানান। এরপরও ছেলে পক্ষ রাজি না হয়ে তাদের গালমন্দ করে বিবাহিত স্ত্রীকে রেখে তারা চলে যায়। কণের পিতা অনেক অনুনয় বিনয় করলেও তাদের মন গলেনি।

কনের পিতা ফরিদ শেখ কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, বিয়ের আগে তারা যৌতুকের বিষয়ে তেমন কিছু বলেনি। বিয়ে শেষ হওয়ার পরই বরপক্ষ মোটা অংকের নগদ টাকা দাবি করেন। হৃতদরিদ্র্য এই কৃষকের পক্ষে এক সাথে  এতো টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তিনি তার মেয়ের ভবিষ্যত নিয়ে এখন চিন্তিত।

Shamol Bangla Ads

মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি জেনে তিনি তাৎক্ষনিক মেয়ের বাড়িতে গিয়েও তাদের পাননি। তবে তিনি বিষয়টি নিয়ে বরপক্ষের লোকজনের সাথে যোগাযগের চেষ্টা করছেন।
দীঘা ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান বলেন বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় কণে পক্ষ আইনি সহায়তা চাইলে তিনি সহযোগিতা করবেন বলে জানান।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!